প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের মার্চ-মে মাসের মধ্যে বিশালাকার এ প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হতে যাচ্ছে। খবর ফক্স বিজনেস।

আমেরিকান এক্সপ্রেসের দেয়া তথ্যমতে, ২০৩১ সালের মধ্যে আকাশচুম্বী ভবনটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে তা লোয়ার ম্যানহাটনের বাণিজ্যিক গুরুত্ব বৃদ্ধির পাশাপাশি শহরের আধুনিক স্থাপত্যশৈলীতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারলে ২০৩১ সাল নাগাদ ভবনটি ব্যবহারের উপযোগী হবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে।

আমেরিকান এক্সপ্রেস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ৫৫ তলাবিশিষ্ট বিশাল ভবনটি প্রায় ২০ লাখ বর্গফুট এলাকাজুড়ে বিস্তৃত হবে। এখানকার আধুনিক ওয়ার্কস্পেস ব্যবস্থায় প্রায় ১০ হাজার কর্মী একযোগে কাজ করতে পারবেন। ভবনটির অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে থাকছে এক একরেরও বেশি উন্মুক্ত স্থান। এর বিভিন্ন তলায় থাকবে সবুজ বৃক্ষশোভিত চত্বর ও বাগান। এখান থেকে ম্যানহাটনের দিগন্ত রেখার মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যাবে।

প্রতিষ্ঠানটি আরো নিশ্চিত করেছে, পুরো ভবনটির একমাত্র মালিক ও ব্যবহারকারী হবে আমেরিকান এক্সপ্রেস। অর্থাৎ বিশালাকার স্থাপনাটি শুধু নিজস্ব দাপ্তরিক কাজের জন্যই ব্যবহার হবে।

নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি বলেন, ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের চূড়ান্ত বাণিজ্যিক টাওয়ারটির নির্মাণ সম্পন্ন হওয়া কেবল একটি বিনিয়োগই নয়; বরং এটি শ্রমিক ইউনিয়নের শক্তি এবং কাজের মর্যাদার এক অনন্য নিদর্শন।’

তিনি আরো বলেন, ‘প্রকল্পটি হাজার হাজার মানসম্মত কর্মসংস্থান নিশ্চিত করবে, যা অসংখ্য পরিবারকে সহায়তা করার পাশাপাশি আমাদের সম্প্রদায়কে আরো শক্তিশালী করবে। যখন আমরা নিউইয়র্কে বিনিয়োগ করি, তখন আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে সেই বিনিয়োগের সুফল যেন সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের কাছে পৌঁছায়।’ তার মতে, কাঠমিস্ত্রি, ইলেকট্রিশিয়ান ও নির্মাণ শ্রমিকরাই মূলত শহর গড়ে তোলেন।

গভর্নর ক্যাথি হোচুল বলেন, ‘২ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার নির্মাণের মাধ্যমে লোয়ার ম্যানহাটনের স্কাইলাইনে আরো একটি আইকনিক আকাশচুম্বী ভবন যুক্ত হবে।’