বোয়িং তাদের ৭৮৭ ড্রিমলাইনার নির্মাণ বাড়ানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। আগে যেখানে মাসিক উৎপাদন ছিল তিন ইউনিট, এখন থেকে চার ইউনিট নির্মাণ হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি বছরের শেষদিকে উন্নীত হবে পাঁচে। চাহিদা বাড়ার জেরে উৎপাদন ও সরবরাহে গতি আনার কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। খবর রয়টার্স।
মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা কোম্পানির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ৭৮৭ প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লেন বালার্ড জানান, সাউথ ক্যারোলাইনার চার্লসটনে বোয়িং যুক্ত করবে বিশেষ সরবরাহ লাইন। এরই মধ্যে মার্কিন ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফএএ) নীতিমালা অনুসরণ করে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। আনীত পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে বাল্কহেডের ক্ষুদ্রাকার ফাঁকগুলো মেরামত করা। এফএএ নীতিমালা মেনে পরিবর্তন আনার কাজ চলছে ওয়াশিংটনের এভরেটের বোয়িং কারখানায়। মানোন্নয়নের এ প্রচেষ্টা পরবর্তী সময়ে আরো চলতে থাকবে।
বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার মূলত বোয়িংয়ের তৈরি করা দুই ইঞ্জিনবিশিষ্ট মাঝারি আকারের উড়োজাহাজ। প্রকরণভেদে তিনটি শ্রেণীতে ২৪২-৩৩৫ জন পর্যন্ত যাত্রী পরিবহন করতে সক্ষম। বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে আকাশযানটি। মাস দুয়েক আগে বড় আকারের অর্ডার পাওয়ার কথা জানিয়েছিল বোয়িং। প্রায় ২০০ ড্রিমলাইনারের চাহিদা এসেছে প্রতিষ্ঠানটির হাতে। ফলে গত এপ্রিলে কোম্পানির চলমান উৎপাদনকে আরো বাড়ানোর সংকেত দেয়া হয়। বলা হয় ৭৮৭ উড়োজাহাজ নির্মাণের গতি বর্তমানে মাসিক তিনটি হারে চলছে, যা প্রত্যাশার তুলনায় বেশ কম। শিগগিরই বাড়ানো হবে উৎপাদন সংখ্যা। সে সূত্র ধরেই চার্লসটনে উৎপাদন বাড়ানোর ঘোষণা দিলেন বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক বালার্ড। চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত ৭০-৮০টি উড়োজাহাজ সরবরাহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।










