প্রাকৃতিক রাবার উৎপাদন কমেছে মালয়েশিয়ার। গত অক্টোবরে দেশটির রাবার উৎপাদন গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে। তবে উৎপাদন কমলেও এ সময়ে দেশটির রাবার রফতানি আগের মাসের তুলনায় বেড়েছে ৫ দশমিক ৩ শতাংশ। মালয়েশিয়ান পরিসংখ্যান বিভাগের সাম্প্রতিক এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর সিনহুয়া প্রতিষ্ঠানটির প্রধান পরিসংখ্যানবিদ দাতুক সেরি মোহাদ উজির মাহিদার দেয়া এ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অক্টোবরে সব মিলিয়ে মালয়েশিয়ায় ৪৮ হাজার ৫৪৯ টন রাবার উৎপাদন হয়েছে। যেখানে এর আগের মাসে উৎপাদন ছিল ৬১ হাজার ৭৩১ টন। সেই হিসাবে উৎপাদন কমেছে ২১ দশমিক ৪ শতাংশ। অন্যদিকে গত সেপ্টেম্বরে রাবারের রফতানির পরিমাণ ছিল ৪৮ হাজার ৫৮ টন। যেখানে অক্টোবরে রফতানি হয়েছে ৫০ হাজার ৬০০ টন। সেই হিসাবে এক মাসের ব্যবধানে দেশটির রাবার রফতানি বেড়েছে ৫ দশমিক ৩ শতাংশ। এ সময়ে মোট রফতানি হওয়া রাবারের অধিকাংশ বা ৩৯ দশমিক ৩ শতাংশের গন্তব্য ছিল চীনের বাজার।
এদিকে রফতানি বাড়লেও অক্টোবরে মালয়েশিয়ার প্রাকৃতিক রাবারের মূল্য কমেছে। এ সময়ে প্রতি কেজি রাবারের মূল্য ছিল ৪২৫ দশমিক ৬১ সেন্ট। যেখানে এর আগের মাসে মূল্য ছিল ৪৩৮ দশমিক ২৮ সেন্ট। এর মধ্যে অক্টোবরে স্ট্যান্ডার্ড মালয়েশিয়ান রাবার ২০-এর (এসএমআর-২০) দাম কমে প্রতি কেজির মূল্য দাঁড়ায় ৫৩৬ দশমিক ৫০ সেন্টে। যেখানে এর আগের দাম ছিল ৫৫১ দশমিক ৩৯ সেন্ট।
উৎপাদন ও রফতানির পাশাপাশি অক্টোবরে মালয়েশিয়ার অভ্যন্তরীণ বাজারে রাবারের ব্যবহারের তথ্যও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরে দেশটির বাজারে ৩১ হাজার ৬৭৭ টন রাবার ব্যবহার হয়েছে; যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়েছে গ্লোভ তৈরিতে। এ খাতে অভ্যন্তরীণ মোট ব্যবহারের ৭৫ দশমিক ৬ শতাংশ ব্যবহার হয়েছে।
উল্লেখ্য, থাইল্যান্ড ও ইন্দোনেশিয়ার পর মালয়েশিয়া বিশ্বের তৃতীয় শীর্ষ রাবার উৎপাদক দেশ। বৈশ্বিক রাবারের প্রায় ৭০ শতাংশের বেশি উৎপাদন হয় দেশ তিনটিতে। দেশ তিনটি নিয়ে গঠিত জোট ইন্টারন্যাশনাল ট্রাইপার্টাইট রাবার কাউন্সিল (আইটিআরসি) বাজার চাঙ্গা করতে আগামী বছরে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ কমাতে চায় জোটটি।









