যুক্তরাজ্যের হাজারো এইচএসবিসি ব্যাংকের গ্রাহক গতকাল মোবাইল ও অনলাইনে ব্যাংকিং পরিষেবার অ্যাকসেস পেতে সমস্যার কথা জানিয়েছেন। এ বিভ্রাট ব্রিটিশ ব্যাংকগুলোর জন্য দীর্ঘদিন ধরে চলমান প্রযুক্তিগত সমস্যার সর্বশেষ উদাহরণ। ওয়েবসাইট মনিটরিং সার্ভিস ডাউন ডিটেক্টর চার হাজারের বেশি অভিযোগ নথিভুক্ত করেছে, যা সকাল ৭টার দিকে শুরু হয়ে সকাল ৯টার মধ্যে তীব্রতর অবস্থায় পৌঁছেছিল। খবর রয়টার্স।
এইচএসবিসি ব্যাপক পরিসরে পরিষেবা বিঘ্নের কথা স্বীকার করেছে।
এইচএসবিসির এক মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা অনলাইন কার্ড পেমেন্ট অনুমোদনসহ মোবাইল ও অনলাইন ব্যাংকিং পুনরুদ্ধারের জন্য জরুরি ভিত্তিতে কাজ করতে যাচ্ছি। আমরা বুঝতে পারি যে এটি গ্রাহকদের জন্য সত্যিই হতাশাজনক। সাময়িক এ অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।’
ব্যাংকটির মুখপাত্র জানান, সমস্যাটি সৃষ্টি হয়েছে অভ্যন্তরীণ জটিলতার কারণে।
কয়েকজন গ্রাহক জানান, ব্ল্যাক ফ্রাইডে বিভ্রাটের প্রভাবকে আরো তীব্র করে তুলেছে। সাধারণত ব্ল্যাক ফ্রাইডেতে গ্রাহকেরা কেনাকাটায় ব্যস্ত থাকেন।
কনজিউমার ম্যাগাজিনের উপসম্পাদক স্যাম রিচার্ডসন জানান, ডিজিটাল ব্যাংকিং সিস্টেমের বিভ্রাট সাধারণ মানুষকে ভাড়া ও ইউটিলিটি বিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ পেমেন্ট করার ক্ষেত্রে বাধা তৈরি করতে পারে।
নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও রাজনীতিবিদরা সাম্প্রতিক বছরগুলোয় এ ধরনের বিভ্রাট রোধ করতে ব্যাংকগুলোকে চাপ দিয়েছেন। সম্প্রতি ব্যাংকগুলো তাদের নিজস্ব অফিসের শাখা সংখ্যা কম করায় আরো বেশি গ্রাহক ডিজিটাল পরিষেবার ওপর নির্ভরশীল হয়েছে। ব্যাংক অব ইংল্যান্ড গত বছরের এপ্রিলে আর্থিক খাতের প্রতি জনসাধারণের আস্থা বাড়াতে এ ধরনের বিভ্রাট এড়াতে বলেছিল।










