ভয়াবহ বন্যার কারণে ২০২২-২৩ মৌসুমে থাইল্যান্ডে চাল উৎপাদন ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। বিশেষ করে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ক্ষতির পরিমাণ বেশি। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিস দেশটির চাল উৎপাদন পূর্বাভাস কমিয়েছে।
দেশটিতে উৎপাদন কমলে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ সংকট আরো প্রকট আকার ধারণ করবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারত ভাঙা চাল রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য চালের ওপর আরোপ করা হয়েছে ২০ শতাংশ রফতানি শুল্ক। বাংলাদেশে সম্প্রতি বন্যার কারণে উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাকিস্তানেও বৈরী আবহাওয়া বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে আমদানিকারক দেশগুলোর কাছে শস্যটির প্রাপ্ততা কমবে।
গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়, এর আগের পূর্বাভাসে দুই কোটি টন চাল উৎপাদনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল, কিন্তু বন্যার কারণে নতুন পূর্বাভাসে উৎপাদনের পরিমাণ কমিয়ে ১ কোটি ৯৯ লাখ টন ধরা হয়েছে।
ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিস বলছে, বর্তমানে ডলারের বিপরীতে থাই মুদ্রার বিনিময় মূল্য কমে যাওয়ার কারণে দেশটির চালের দাম প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠেছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে এর চাহিদা বাড়ছে। কিন্তু ঊর্ধ্বমুখী জাহাজীকরণ ব্যয়ের কারণে বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত শস্যটির রফতানি চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে।










