চীনে চলতি বছর সয়াবিন উৎপাদনে উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। ঊর্ধ্বমুখী চাহিদা ও দাম বেশি থাকায় উৎপাদন বাড়িয়েছেন কৃষক। গম ও ভুট্টা উৎপাদনও বেড়েছে। তবে উৎপাদনের হার অত্যন্ত কম। বৈরী আবহাওয়ায় কমেছে চাল উৎপাদন। চীনের ন্যাশনাল স্ট্যাটিসটিকস ব্যুরো সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
সয়াবিন উৎপাদনে স্থানীয় কৃষককে উৎসাহিত করতে চলতি বছর বেশকিছু নীতি গ্রহণ করেছে চীন সরকার। উদ্দেশ্য আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে আনা। সরকারের এ পদক্ষেপ এরই মধ্যে সফল হয়েছে। এ বছর পণ্যটির উৎপাদন গত বছরের তুলনায় ২৩ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৩ লাখ টনে। তেলবীজটির আবাদ বেড়েছে ২১ দশমিক ৭ শতাংশ।
বেইজিং অরিয়েন্ট এগ্রি বিজনেস কনসালট্যান্ট লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক মা ওয়েংফেং বলেন, উত্তর-পূর্ব চীনে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ও উষ্ণ আবহাওয়া সয়াবিন উৎপাদন বৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা রেখেছে।
এদিকে ভুট্টা উৎপাদন ১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ২৭ কোটি ৭২ লাখ টনে উন্নীত হয়েছে। ন্যাশনাল স্ট্যাটিসটিকস ব্যুরো বলছে, এবার সয়াবিন আবাদ বাড়ানোয় কৃষক ভুট্টার আবাদ কমিয়ে দিয়েছিলেন। এর পরও বেড়েছে উৎপাদন। অন্যদিকে গত উৎপাদন দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ১৩ কোটি ৭৭ লাখ ২০ হাজার টনে পৌঁছেছে।
তবে চাল উৎপাদন ২ শতাংশ কমেছে। উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২০ কোটি ৮৫ লাখ টনে। দক্ষিণ চীনে উষ্ণ আবহাওয়া খরা উৎপাদন ব্যাহত করেছে।










