বাজেট ঘাটতি কমাতে ব্যয় হ্রাস ও ধনীদের ওপর কর আরোপের পরিকল্পনা করেছে মালয়েশিয়া। গতকাল দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ধীর অর্থনীতি সমর্থন করে এ পরিকল্পনার কথা জানান। খবর রয়টার্স।

প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেয়ার তিন মাসে আনোয়ার মালয়েশিয়ার রফতানিচালিত অর্থনীতি, কম রাজস্ব ও জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের মতো সংকটের মুখোমুখি হয়েছেন।  

আনোয়ার দেশটির অর্থমন্ত্রীও। তিনি নিম্ন আয়ের গোষ্ঠীগুলোর জন্য ভর্তুকি ও অন্যান্য সরকারি সহায়তা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। একই সঙ্গে বিলাসবহুল পণ্য ও মূলধনি কর নিয়ে রাজস্ব বাড়ানোর দিকে এগোচ্ছেন। 

২০২৩ অর্থবছরের বাজেটে আনোয়ার সংসদে বলেছিলেন, দেশের আয় ও সম্পদ ধনী ও অভিজাতদের মধ্যে কেন্দ্রীভূত হয়েছে। এ কারণে জাতীয় রাজস্ব বণ্টনে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের গোষ্ঠীর ওপর দৃষ্টি দেয়া হয়।"তিনি ধনীদেরও যৌথ দায়িত্ব’ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। 

আনোয়ার পূর্বাভাস দিয়েছেন, বাজেট ঘাটতি গত বছরের ৫ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে এ বছর মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশে সংকুচিত হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার বিলাসবহুল ঘড়ি ও ফ্যাশন সামগ্রীর মতো আইটেমে এ বছর থেকে কর চালু করবে। কিছু উচ্চ আয়ের ব্যক্তির জন্য আয়কর ২ শতাংশ বাড়ানো হবে। 

তিনি আরো বলেন, মালয়েশিয়া কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে নিবন্ধিত নয় এমন শেয়ার নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে কম হারে মূলধনি কর প্রয়োগের কথা বিবেচনা করবে। সাধারণ ভোক্তা পর্যায়ে কর নিয়ে আপাতত পরিকল্পনা নেই। 

এ বছর সরকার ৬ হাজার ৪০০ বিলিয়ন রিংগিত ভর্তুকি, সাহায্য ও প্রণোদনা দেয়ার পরিকল্পনা করেছে বলেও জানান তিনি।