করোনা মহামারীর মধ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটে উড়োজাহাজ চলাচল সীমিত হয়ে আসায় বিশ্বজুড়ে জেট ফুয়েলের রেকর্ড চাহিদা পতন দেখা দেয়। এ পরিস্থিতিতে দামও কমে আসে জ্বালানি পণ্যটির। এখন করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ চললেও ভ্যাকসিন প্রয়োগের আশাবাদী পরিস্থিতিতে উড়োজাহাজ চলাচল আগের তুলনায় বেড়েছে। ফলে ধীরে হলেও বাড়তে শুরু করেছে জেট ফুয়েলের চাহিদা, যা জ্বালানি পণ্যটির মূল্যবৃদ্ধির পেছনে ভূমিকা রাখছে। খবর রয়টার্স ও বিজনেস রেকর্ডার।
সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে এশিয়ার বাজারে জেট ফুয়েলের দাম বাড়তির দিকে রয়েছে। বর্তমানে জ্বালানি পণ্যটির দাম বেড়ে মার্চের পর সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠেছে বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গত কয়েক মাসে জেট ফুয়েলের দাম প্রায় ৪৫ শতাংশ বেড়েছে।
পরামর্শক প্রতিষ্ঠান উড ম্যাকেঞ্জির সিঙ্গাপুর শাখার গবেষণা সহযোগী কিয়াওরিং চেন বলেন, করোনাকালে উড়োজাহাজ চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। তবে ২০২০ সালের শুরুর দিকের তুলনায় বর্তমানে আকাশপথে চলাচলের পরিমাণ অনেকটা বেড়েছে। এ ধারাবাহিকতায় ২০২১ সালের প্রথম প্রান্তিক (জানুয়ারি-মার্চ) নাগাদ শুধু এশিয়ার বাজারে জেট ফুয়েলের দৈনিক গড় চাহিদা ১৪ লাখ ব্যারেলে উন্নীত হতে পারে। চাহিদা যত বাড়বে আন্তর্জাতিক বাজারে জেট ফুয়েলের দামও তত বাড়তির পথে থাকবে। চাহিদা ও দামের প্রবৃদ্ধিতে গতি ফিরে পেতে পারে জেট ফুয়েলের বাজার।










