খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের কোম্পানি তাওফিকা ফুডস অ্যান্ড লাভেলো আইসক্রিম পিএলসির উদ্যোক্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. একরামুল হক তার কাছে থাকা কোম্পানিটির তিন কোটি শেয়ারের মধ্যে ৩০ লাখ শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন। আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পাবলিক ও ব্লক মার্কেটে বিদ্যমান বাজারদরে এ শেয়ার বিক্রি করবেন তিনি। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময় যা ছিল ৭৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর শেষে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৫১ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ২৪ পয়সা। আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৪৩ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১২ টাকা ৯৪ পয়সায়।
২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৪৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১২ টাকা ৯০ পয়সায়।
এর আগে ২০২০-২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৪১ পয়সা। আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৩১ পয়সা। সেই হিসাবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ১০ পয়সা বা ৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ। ৩০ জুন ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১২ টাকা ৫৭ পয়সায়। আগের হিসাব বছরে শেষে যা ছিল ১২ টাকা ৭৫ পয়সা।
২০২১ সালে পুঁজিবাজারে তাওফিকা ফুডসের লেনদেন শুরু হয়। কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ৮৫ কোটি টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২৪ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৮ কোটি ৫০ লাখ।
গত বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ ৪৭ টাকা ২০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ২৯ টাকা ৫০ পয়সা ও ৪৯ টাকা ৯০ পয়সা।










