দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে পাইকারি পর্যায়ে কমেছে পেঁয়াজের দাম। বন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি বাড়ায় সপ্তাহের ব্যবধানে পণ্যটির দাম কমেছে কেজিপ্রতি ১০-১৫ টাকা। আমদানিকারকরা জানিয়েছেন, ব্যাংকগুলো চাহিদা অনুযায়ী এলসি দিলে ও ভারত সরকার পেঁয়াজের ন্যূনতম রফতানি মূল্য প্রত্যাহার করলে দাম আরো কমে আসবে।

হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এতদিন বন্দর দিয়ে শুধু ইন্দোর ও নাসিক জাতের পেঁয়াজ আমদানি হলেও বর্তমানে নতুন নতুন জাতের পেঁয়াজ আসতে শুরু করেছে। এর মধ্যে রয়েছে সাউথের বেলোরি ও কর্ণাটক অঞ্চলের হুগলি জাতের পেঁয়াজ। বন্দরে সাউথের বেলোরি জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৮২-৮৩ টাকায়, যা কিছুদিন আগেও ছিল ৯৫ টাকা। আর কর্ণাটক অঞ্চলের হুগলি জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭৬-৭৭ টাকা কেজি দরে। পাশাপাশি আগের ৮৫ টাকা থেকে নেমে প্রতি কেজি ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০-৭২ টাকায়।

বন্দরে পেঁয়াজ কিনতে আসা পাইকার ইদ্রিস আলী বলেন, ‘‌কয়েক দিন ধরে বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি কমে যাওয়ায় দাম বাড়তির দিকে ছিল। এতে ট্রাকপ্রতি আড়াই থেকে ৩ লাখ টাকার মতো বাড়তি দামের কারণে বেশি পুঁজির প্রয়োজন পড়েছে। আবার দাম বেড়ে গেলে মোকাম থেকে অর্ডারও কমিয়ে দেয়। এতে আমাদের আয় কমে যায়। এখন বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বাড়ায় দাম কমেছে।’

পেঁয়াজ আমদানিকারক শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘‌ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে নতুন মৌসুমের পেঁয়াজ উঠতে শুরু করায় সেখানে দাম কিছুটা কমেছে, যার প্রভাব পড়েছে বন্দরে। ’

হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, ‘হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত। তবে গত সপ্তাহে বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানির পরিমাণ তলানিতে ঠেকেছিল। সে তুলনায় চলতি সপ্তাহে বন্দর দিয়ে আমদানি কিছুটা বেড়েছে। শনিবার বন্দর দিয়ে ১৮টি ট্রাকে ৫১৬ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। রোববার ১৪টি ট্রাকে ৪১৪ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।