যুক্তরাজ্যে ভোক্তা মূল্যস্ফীতি চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে কমে ৬ দশমিক ৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ব্যয় সংকোচন নীতির কারণে গ্রাহকের মধ্যে চাহিদা কমে যাওয়া এবং সুপারমার্কেটগুলোর ডিসকাউন্ট প্রতিযোগিতা মূল্যস্ফীতিতে প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। আর মূল্যস্ফীতি কমতে থাকায় ব্যাংক অব ইংল্যান্ড আগামী ২ নভেম্বরের সভায় সুদহার ৫ দশমিক ২৫ শতাংশে স্থির রাখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর রয়টার্স।

যুক্তরাজ্যে প্রকৃত মূল্যস্ফীতির হার কমে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ১ শতাংশ, যা আগস্টে ছিল ৬ দশমিক ২ শতাংশ। প্রকৃত মূল্যস্ফীতি পরিমাপের সময় খাদ্য, জ্বালানি, অ্যালকোহল ও তামাকের মতো দ্রুত পরিবর্তনশীল মূল্যের পণ্যকে বাইরে রাখা হয়।

২০২২ সালের অক্টোবরে যুক্তরাজ্যে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছিল ৪১ বছরের সর্বোচ্চে। মূল্যস্ফীতির হার ছিল ১১ দশমিক ১ শতাংশ। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর সরবরাহ চেইন ভেঙে পড়লে জ্বালানি মূল্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। আগস্টে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড পূর্বাভাস দিয়েছিল, মূল্যস্ফীতি ২০২৫ সালের আগ পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রা ২ শতাংশের ওপরে থাকবে।

ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রী জেরেমি হান্ট বলেন, ‘জি৭ দেশগুলোয় মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক ওপরে। কিন্তু যদি আমরা আমাদের পরিকল্পনায় দৃঢ় থাকি, চলতি বছরের মধ্যেই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব বলে আমি মনে করি।’

প্রধান অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্যেই ভোগ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি সবচেয়ে বেশি। তার ঠিক পেছনেই রয়েছে ফ্রান্স ও ইতালি। দেশ দুটিতে সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৭ ও ৫ দশমিক ৬ শতাংশ।