২০২১-২২ মৌসুমে ব্রাজিলের চাষীরা উৎপাদিত কফি বিক্রির পরিবর্তে মজুদ করে রেখেছিলেন। এ সময় বেশির ভাগ চাষীই ক্রেতাদের সঙ্গে চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করেছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল দাম বাড়লে তা থেকে বড় আকারের মুনাফা লাভ করা। তবে নতুন মৌসুমে ভালো দাম পাওয়ায় বিক্রি বাড়িয়েছেন চাষীরা। এটি বাজারে চলমান অস্থিরতা সামাল দিতে সক্ষম হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। খবর নাসডাক।

ব্রাজিল বিশ্বের শীর্ষ কফি উৎপাদক ও রফতানিকারক। ২০২২-২৩ মৌসুমের সম্ভাব্য উৎপাদনের ৩২ শতাংশই বিক্রি করে দিয়েছেন দেশটির চাষীরা। গত মৌসুমে বিক্রি করা হয়েছিল ২১ শতাংশ। বাজার পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সাফরাস অ্যান্ড মার্কাডো সম্প্রতি এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির দেয়া তথ্য বলছে, নতুন মৌসুমে অ্যারাবিকা কফি বিক্রি করা হয়েছে প্রাক্কলিত উৎপাদনের ৩৭ শতাংশ। গত মৌসুমে বিক্রির হার ছিল ২৮ শতাংশ। অন্যদিকে রোবাস্তা কফি বিক্রি করা হয়েছে ১৯ শতাংশ। গত মৌসুমে বিক্রির হার ছিল মাত্র ৯ শতাংশ।