ইন্টারকন্টিনেন্টাল এক্সচেঞ্জে (আইসিই) অপরিশোধিত চিনির ভবিষ্যৎ সরবরাহ মূল্য কমে এক মাসের সর্বনিম্নে নেমেছে। মুনাফার হার বৃদ্ধির উদ্বেগের মধ্যেই পণ্যটির দাম কমার ঘটনা ঘটল। মূলত শীর্ষ উৎপাদক ব্রাজিল, ভারত ও থাইল্যান্ডে উৎপাদন বাড়ায় বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে নিউইয়র্কে কোকোর দাম কমে সাড়ে ছয় মাসের সর্বনিম্নে নেমেছে।

তথ্য বলছে, জুলাইয়ে সরবরাহ চুক্তিতে পাউন্ডপ্রতি অপরিশোধিত চিনির দাম দশমিক ৮০ শতাংশ কমেছে। প্রতি পাউন্ডের মূল্য স্থির হয়েছে ১৮ ডলার ৫৬ সেন্টে, যা এক মাসের সর্বনিম্ন। আগস্টে সরবরাহ চুক্তিতে সাদা চিনির দাম কমেছে দশমিক ৭০ শতাংশ। প্রতি টনের মূল্য স্থির হয়েছে ৫৬৫ ডলারে।

ডিলাররা বলছেন, শীর্ষ দেশ ব্রাজিল, ভারত ও থাইল্যান্ডে উৎপাদন বাড়ার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। এতে আগামী বছর বিশ্ববাজারে প্রয়োজনেরও বেশি চিনির সরবরাহ থাকবে।

তবে উৎপাদন বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকলেও ডলারের রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধি চিনির বাজারকে চাপের মধ্যে রেখেছে। বর্তমানে ডলারের বিনিময় মূল্য ২০ বছরের সর্বোচ্চে অবস্থান করছে। ফলে অন্যান্য মুদ্রার জন্য চিনিসহ ডলারে লেনদেন হওয়া পণ্যগুলো ব্যয়বহুল হয়ে পড়বে।