তালিকাভুক্ত ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রি পিএলসির সার্ভিল্যান্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘ডাবল এ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি ওয়ান’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং ২ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে আলফা ক্রেডিট রেটিং পিএলসি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭ টাকা ৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ২ টাকা ৭২ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৩২ টাকা ৬৭ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৬৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের ইপিএস হয়েছে ২০ টাকা ২৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২১ টাকা ৪৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২৫ টাকা ৬৯ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৬৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের ইপিএস হয়েছে ২১ টাকা ৪৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৯ টাকা ৩৮ পয়সা।
৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১১ টাকা ৯৪ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৬০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৯ টাকা ৩৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৯ টাকা ৩৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯৬ টাকা ৬৮ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৬০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৯ টাকা ৩৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৫ টাকা ৬৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৮৩ টাকা ৩৬ পয়সায়।
১৯৮৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩১ কোটি ২৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩৬০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৩ কোটি ১২ লাখ ৪৩ হাজার ৬২৭। এর ৪৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৩ দশমিক ৯৪ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩১ দশমিক ৩৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










