দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়া গমনে অপেক্ষারত কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একমাত্র সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল) এক বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই বিশেষ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গত ২৫ ও ৩০ নভেম্বর সন্ধ্যায় ২টি ফ্লাইটে ৬০ জন করে মোট ১২০ জন কর্মী মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। আজ যাচ্ছেন আরো ৬০ জন।

গত বছরের ৪ অক্টোবর সংক্ষিপ্ত সফরে বাংলাদেশ সফরকারী মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে মালয়েশিয়া যেতে না পারা কর্মীদের নিতে বিশেষ উদ্যোগের অনুরোধ জানিয়েছিলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূস।

চলতি বছরের ২১-২২ মে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার ৩য় জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ-এর সভায় ১৭ হাজার ৭৭৭ জন কর্মীর মধ্যে ৭ হাজার ৮৭৩ কর্মীর তালিকা চূড়ান্ত করে তাদের পুনরায় মালয়েশিয়া প্রেরণের সুপারিশ করা হয়।

গত বছরের ৩১ মে তারিখের মধ্যে মালয়েশিয়া যেতে ব্যর্থ হওয়া মোট ৭ হাজার ৮৭৩ জন কর্মীর জন্য নতুন করে চাহিদা সংগ্রহ করে প্রেরণের জন্য বোয়েসেলকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। শুধুমাত্র কনস্ট্রাকশন ও ট্যুরিজম— এ দুটি খাতে কর্মী প্রেরণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

গত ৭ আগস্ট কনস্ট্রাকশন লেবার এক্সচেঞ্জ সেন্টার বারহাদ (সিএলএবি) এর সঙ্গে কর্মী প্রেরণ বিষয়ক চুক্তি স্বাক্ষর হয়। যেতে না পারা কর্মীদের মালয়েশিয়া প্রেরণ ব্যয় ১ লাখ ৬২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এ উদ্যোগের প্রথম ধাপে, মালয়েশিয়ার নিয়োগকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান কন্সট্রাকশন লেবার এক্সচেঞ্জ সেন্টার বারহাদ (সিএলএবি) হতে ১০০০ জন কর্মীর চাহিদা পাওয়া যায়। অন্যদিকে ট্যুরিজম খাতে মাত্র ১ জন কর্মীর চাহিদা পাওয়া যায়।

চলতি বছরের ১১-১৩ অক্টোবর, প্রধান উপদেষ্টা মালয়েশিয়া সফরকালে যেতে না পারা কর্মীসহ শ্রমবাজার চালুর অনুরোধ করেন। এরইমধ্যে ৩০৭ জন কর্মীর ভিসা পাওয়া গিয়েছে। গত ২৫ ও ৩০ নভেম্বর, মালয়েশিয়া গমন করেছেন ১২০ জন।

৬০ জন কর্মী আজ (২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে যাত্রা করবেন। ৫৬ জন করে মোট ১১২ জন আগামী ৭ ও ৯ ডিসেম্বর মালয়েশিয়া গমন করবেন।

-বিজ্ঞপ্তি