পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ারদর গত সপ্তাহের দুই কার্যদিবসে প্রায় ১৯ শতাংশ বেড়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্য অনুসারে, গত সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ১৯ টাকা ৫০ পয়সা। ঈদুল আজহা-পূর্ববর্তী লেনদেন হওয়া মাত্র দুই কার্যদিবস শেষে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়ে দাঁড়ায় ২৩ টাকা ২০ পয়সায়। সে হিসাবে আলোচ্য সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ৩ টাকা ৭০ পয়সা বা ১৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির মোট ১ কোটি ৬৫ লাখ ৭২ হাজার ৬৪৭টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সদ্য সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৬ পয়সা। আর সর্বশেষ তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৯১ পয়সায়।
২০২১-২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৫ পয়সা। সদ্য সমাপ্ত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৯৪ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১২ টাকা ২৬ পয়সা।
লোকসানের কারণে ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০-২১ বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ। আগের হিসাব বছরে ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। এছাড়া ২০১৮ হিসাব বছরে ২ শতাংশ নগদ, ২০১৭ হিসাব বছরে ১০ শতাংশ বোনাস, ২০১৬ হিসাব বছরে ১১ শতাংশ বোনাস ও ২০১৫ হিসাব বছরে ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।
২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত খান ব্রাদার্সের কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৯৮ কোটি ৮ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১৮ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ৯ কোটি ৮০ লাখ ৭৯ হাজার ৮৭৭। এর মধ্যে ৩০ দশমিক ১৩ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ২৯ দশমিক ৬১ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও ৪০ দশমিক ২৬ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে।










