প্রতি বছরের সেপ্টেম্বরে ফিলিপাইনে চিনি উৎপাদন বর্ষ শুরু হয়, যা শেষ হয় পরের বছরের আগস্টে। চলতি বর্ষের শুরু থেকে দেশটিতে পণ্যটির উৎপাদন নিম্নমুখী রয়েছে। একই অবস্থা বিদ্যমান রয়েছে পণ্যটির চাহিদার ক্ষেত্রেও। দেশটির সুগার রেগুলেটরি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এসআরএ) সম্প্রতি এ তথ্য জানিয়েছে। খবর বিজনেস ওয়ার্ল্ড।
অপরিশোধিত চিনি: এসআরএ চিনির সরবরাহ ও চাহিদা বিষয়ক সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে জানায়, সদ্য শেষ হওয়া ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে দেশটির মিলগুলোয় মোট ৩ লাখ ১১ হাজার ৬১৭ টন অপরিশোধিত চিনি উৎপাদিত হয়েছে, যা ২০১৮ সালের একই সময়ের তুলনায় ২৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ কম।
এদিকে উৎপাদন কমার সঙ্গে সঙ্গে কমেছে পণ্যটির চাহিদাও। এসআরএ প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ সময়ে দেশটিতে অপরিশোধিত চিনির চাহিদা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪৩ হাজার ৫৯৭ টন, যা এক বছর আগের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ১৩ শতাংশ কম। ওই সময়ে চাহিদার পরিমাণ ছিল ৩ লাখ ৬৬ হাজার ২৩ টন। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে ফিলিপাইনে পণ্যটির চাহিদা কমেছে ২২ হাজার ৪২৬ টন।
পরিশোধিত চিনি: অপরিশোধিত চিনির সঙ্গে দেশটিতে পরিশোধিত চিনির উৎপাদন ও চাহিদা কমেছে। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে ফিলিপাইনের মিলগুলো ১ লাখ ১০ হাজার ৬৫৪ টন পরিশোধিত চিনি উৎপাদন করেছে। আগের বছরের একই সময়ে উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮৫৫ টন। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে দেশটিতে পণ্যটির উৎপাদন ৪৭ হাজার ২০১ টন কমেছে।
এদিকে একই সময়ে পরিশোধিত চিনির চাহিদা ১১ দশমিক ৪৩ শতাংশ কমে ২ লাখ ৭১ হাজার ৭৮০ টনে নেমেছে। আগের বছরে এর পরিমাণ ছিল ৩ লাখ ৬ হাজার ৮৬২ টন। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে ফিলিপাইনে পণ্যটির চাহিদা ৩৫ হাজার ৮২ টন কমেছে।









