চলতি বছর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধারের প্রত্যাশা করছে দক্ষিণ কোরিয়া। চীন জিরো কভিড নীতি প্রত্যাহারের পর বাজার পুনরায় উন্মুক্ত হওয়ায় এমন আভাস দিয়েছে দেশটি। কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন (কিটা) জানিয়েছে, চীনা বাজার চালু হওয়ায় দ. কোরিয়ার রফতানি বাড়বে। কেননা দেশটির অধিকাংশ রফতানি প্রতিবেশী চীনের সঙ্গে অধিক সম্পর্কিত। খবর ইয়োনহাপ নিউজ এজেন্সি।
কিটার সাম্প্রতিক প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী প্রতিষ্ঠানগুলো পূর্বাভাস দিয়েছে, চলতি বছর চীনা অর্থনীতি ২০২২ সালের তুলনায় ৫ দশমিক ১ শতাংশ বাড়বে। দীর্ঘ কয়েক বছর পর বেইজিংয়ের বাজার পুনরায় চালু হওয়ায় অনেক দেশ বেশ স্বস্তিতে আছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি সম্ভবত প্রথম প্রান্তিকে ২ দশমিক ৬ শতাংশ এবং দ্বিতীয় প্রান্তিকে ৬ দশমিক ৯ শতাংশ বাড়বে।
যদি এ পূর্বাভাস মিলে যায়, তবে চীনের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি প্রভাবিত করবে দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকেও। প্রতিবেদন বলছে, এমনটা হলে দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনীতি অতিরিক্ত শূন্য দশমিক ১৬ শতাংশ বাড়বে। পাশাপাশি দেশটির রফতানি শূন্য দশমিক ৫৫ শতাংশ বাড়বে।
দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার প্রত্যাশা করছে, এশিয়ার চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি ২০২৩ সালে প্রায় ১ দশমিক ৬ শতাংশ বাড়বে। যদিও ২০২২ সালে দেশটির প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ২ দশমিক ৬ শতাংশ। চলতি বছরে রফতানি গত বছরের তুলনায় ৪ দশমিক ৫ শতাংশ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দক্ষিণ কোরিয়াকে চীনের বাজার পুনরায় খোলার সর্বাধিক সুবিধা নিতে হবে। চীনের বাজারকে এমনভাবে মোকাবেলা করতে হবে যাতে দ. কোরিয়ার রফতানি বাড়ে। দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনীতি মূলত চীনের অর্থনীতির ওঠানামার মাধ্যমে প্রভাবিত হয়। কেননা চীন হলো দক্ষিণ কোরিয়ার বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার। দক্ষিণ কোরিয়া ২০২২ সালে চীনে প্রায় ১৫ হাজার ৫৮০ কোটি ডলার রফতানি করেছে, যা কোরিয়ার মোট রফতানির ২২ দশমিক ৮ শতাংশ।










