ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সুশাসন, দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং সময়োপযোগী নীতিমালা ও কার্যকর বাস্তবায়ন অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকিন আহমেদ। রাজধানীর ডিসিসিআই মিলনায়তনে গতকাল সংগঠনটির ৬৪তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এ কথা বলেন তিনি।
ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী, সহসভাপতি মো. সালিম সোলায়মান, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও সাবেক নেতৃত্বসহ সদস্যভুক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভার শুরুতে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, ‘২০২৫ সালে বৈশ্বিক বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংকট, শুল্কহার বৃদ্ধি, সহায়ক রাজস্ব ব্যবস্থাপনার অনুপস্থিতি, সংকোচনমুখী মুদ্রানীতি, স্থবির বিনিয়োগ, দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতি, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিবেশের অস্থিতিশীলতা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং চলমান জ্বালানি সংকটের কারণে অর্থনীতি বেশকিছু চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘নীতিনির্ধারক, গবেষক ও শিল্পোদ্যোক্তাদের জন্য তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তার লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো ‘অর্থনৈতিক অবস্থান সূচকের (ইপিআই)’ প্রবর্তন করেছে ডিসিসিআই, যা উৎপাদন ও সেবা খাতে ত্রৈমাসিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমের পরিবর্তন পরিমাপ করবে।’
মুক্ত আলোচনা পর্বে ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি আফতাব উল ইসলাম, সাবেক ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি আলহাজ আব্দুস সালাম, সাবেক পরিচালক ও আনোয়ার গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন, সাবেক পরিচালক একেডি খায়ের মোহাম্মদ খান ও মোহাম্মদ সারফুদ্দিন এবং মেসার্স ব্র্যান্ড বাংলার স্বত্বাধিকারী রাজু আহমেদ মামুন বক্তব্য দেন। পুরো সভাটি সঞ্চালনা করেন ডিসিসিআইয়ের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ড. একেএম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী।









