এর মধ্যে ব্র্যাক ব্যাংকের পর্ষদ সভায় ব্যাংকটির সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশের ঘোষণা আসতে পারে। অন্যদিকে প্রাইম ব্যাংকের পর্ষদ সভায় ব্যাংকটির চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬ টাকা ৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৪ টাকা ৩৭ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৫১ টাকা ৭৩ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ। এর মধ্যে ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্র্যাক ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ৯৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৩০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৪ টাকা ১১ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে প্রাইম ব্যাংকের পর্ষদ। এর মধ্যে ২৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ৮৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ৩১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪০ টাকায়। ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে আগামী ২১ মে বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ২৮ এপ্রিল।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ। এর মধ্যে ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ২ দশমিক ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। এর আগের ২০২৩ ও ২০২২ হিসাব বছরে সাড়ে ১৭ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ পেয়েছেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা।

২০০০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রাইম ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ১৬০ কোটি ৫৯ লাখ ১০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২ হাজার ৫৭৫ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১১৬ কোটি ৫ লাখ ৯০ হাজার ৫৬৩। এর ৩৭ দশমিক ৫৩ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩২ দশমিক শূন্য ৮, বিদেশী বিনিয়োগকারী ৭ দশমিক শূন্য ১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৩ দশমিক ৩৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।