জাতিসংঘের দেয়া টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বড় ভূমিকা রাখতে পারে তরুণ উদ্যোক্তারা। বাংলাদেশকে বিশ্ব মানচিত্রে সম্মানের সঙ্গে প্রতিষ্ঠা করতে হলে তরুণ উদ্যোক্তাদের যথাযথ ভূমিকাই এখন সময়ের দাবি। গতকাল চট্টগ্রামের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে দ্য চিটাগং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিসিসিআই) আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন বক্তারা। গ্লোবাল অন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ নেটওয়ার্ক (জিইএন) বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে কফি উইথ চেম্বার শীর্ষক এ সভার আয়োজন করা হয়।
এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিসিসিআই সভাপতি ওমর হাজ্জাজ বলেন, ‘সীমিত সম্পদ দিয়েও যে ঘনবসতিপূর্ণ একটা ছোট দেশে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখা যায়, বাংলাদেশ এরই মধ্যে তা প্রমাণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী বেকারত্ব দূরীকরণের জন্য শিক্ষিত তরুণ প্রজন্মকে চাকরির পিছে না ছুটে উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য উৎসাহিত করছেন। এজন্য আইসিটি ইনকিউবেটর এবং আইসিটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে তরুণ প্রজন্মকে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছে সরকার।’
জিইএন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কেএম হাসান রিপন বলেন, ‘তরুণ উদ্যোক্তাদের শুরু থেকেই অনেক বাধা উপেক্ষা করে এগিয়ে যেতে হয়। ইনোভেশন ও ইন্টিগ্রিটি থাকলে যেকোনো তরুণ উদ্যোক্তা সফল হয়ে উঠবে। ইকোসিস্টেম তৈরি করে নতুন ব্যবসা উদ্ভাবন ও বিকশিত করতে কাজ করছে জিইএন বাংলাদেশ।’
সভায় চেম্বার পরিচালকদের মধ্যে অঞ্জন শেখর দাশ, মাহফুজুল হক শাহ, বেনাজির চৌধুরী নিশান, ইঞ্জিনিয়ার ইফতেখার হোসেন, মোহাম্মদ আদনানুল ইসলাম ও মোহাম্মদ মনির উদ্দিন, সাবেক পরিচালকদের মধ্যে মো. ইফতেখার ফয়সাল ও মোহাম্মদ নাসিরুল আলম (ফাহিম), দেশ আইটির প্রফেসর রেজাউল করিম, তরুণ উদ্যোক্তা সৌমেন কানুনগো, প্রান্তিক গ্রুপের পরিচালক রাশিদ সরোয়ারসহ তরুণ উদ্যোক্তারা বক্তব্য রাখেন।
সভায় বক্তারা তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য পলিসি নির্ধারণের পাশাপাশি নতুন ব্যবসায়িক উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা, কারিগরি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও তরুণ নেতৃত্ব সৃষ্টির মাধ্যমে ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট ও কানেক্টিভিটি তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।










