ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির স্থগিত হওয়া বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ১১ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। ৭ ডিসেম্বর উচ্চ আদালত থেকে এজিএমের অনুমতি পেয়েছে কোম্পানিটি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি ইসলামী ব্যাংক। এজিএমে ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নেয়া হবে। এর আগে গত ১৯ নভেম্বর ব্যাংকটির এজিএম হওয়ার কথা থাকলেও অনিবার্য কারণবশত তা অনুষ্ঠিত হয়নি।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬২ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ১ টাকা ৬৬ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪৪ টাকা ৪৮ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে ইসলামী ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৬৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৯৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৪ টাকা ৩৬ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ইসলামী ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৯৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৮৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৫ টাকা ২৪ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ইসলামী ব্যাংক। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৮৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৯৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৩ টাকা ২১ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ইসলামী ব্যাংক। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৯৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৯৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৪০ টাকা ৮২ পয়সায়।
১৯৮৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইসলামী ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৬০৯ কোটি ৯৯ লাখ ১০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫ হাজার ৬৭৪ কোটি ৭ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৬০ কোটি ৯৯ লাখ ৯০ হাজার ৬৬৮। এর দশমিক ১৮ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৭৪ দশমিক ৮৫, বিদেশী বিনিয়োগকারী ১৭ দশমিক ৮৯ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৭ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










