তালিকাভুক্ত ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের ক্যাটাগরি পরিবর্তন হয়েছে। সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে প্রতিষ্ঠানটি বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদানের কারণে বিদ্যমান ‘এ’ ক্যাটাগরি থেকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে পরিবর্তন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৩০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৩২ পয়সা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৫৬ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৫ টাকা ৩১ পয়সা। 

চলতি ২০২৩ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে এনবিএফআইটির ইপিএস হয়েছে ৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩০ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস হয়েছে ১৪ টাকা ৬৩ পয়সা।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের সাড়ে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ইসলামিক ফাইন্যান্স। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৫৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৫ টাকা ৩১ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৪ টাকা ৯৯ পয়সা। ২০২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। ২০১৯ হিসাব বছরের জন্যও একই হারে নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন শেয়ারহোল্ডাররা। এছাড়া ২০১৮ হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদের পাশাপাশি সাড়ে ৪ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি।

২০০৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ২৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৪০ কোটি ৩২ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৭৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৪ কোটি ৩ লাখ ২৬ হাজার ৬৭০। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালক ২৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ২৩ দশমিক ৮৯ ও বাকি ৪৭ দশমিক ৩২ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।