ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের কোম্পানি দ্য পেনিনসুলা চিটাগং লিমিটেড সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে লোকসান গুনেছে। আগের হিসাব বছরে মুনাফায় ছিল কোম্পানিটি। লোকসানের কারণে আলোচ্য হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটি। মূলত বিভিন্ন ধরনের ব্যয়বৃদ্ধির পাশাপাশি আর্থিক আয় কমে যাওয়ায় লোকসান হয়েছে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে পেনিনসুলা চিটাগংয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩৪ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ১৯ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ৮৮ পয়সায়। ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে আগামী ১৮ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় ডিজিটাল প্লাটফর্মে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৯ নভেম্বর।

কোম্পানিটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সর্বশেষ সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানির আর্থিক ব্যয় বেড়েছে ৩৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং আর্থিক আয় কমেছে ২২ দশমিক ৪৪ শতাংশ। পাশাপাশি অপরিচালন খাতে এ সময়ে লোকসান হয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার বেড়ে যাওয়ায় কোম্পানির সেবার বিপরীতে ব্যয় বেড়েছে ১৯ দশশিক ১৩ শতাংশ এবং প্রশাসনিক খাতে ব্যয় বেড়েছে ২২ দশমিক ৩৬ শতাংশ। সব মিলিয়ে এসব কারণে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট লোকসান হয়েছে।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের জন্য ২ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছিল দ্য পেনিনসুলা চিটাগংয়ের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে দ্য পেনিনসুলা চিটাগংয়ের ইপিএস হয়েছে ১৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪১ পয়সা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ২২ পয়সা বা ৫৩ দশমিক ৬৬ শতাংশ। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৯ টাকা ৪৭ পয়সায়, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩০ টাকা ২৮ পয়সায়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত বৃহস্পতিবার পেনিনসুলা চিটাগংয়ের শেয়ারের সর্বশেষ ও সমাপনী দর ছিল ২৭ টাকা ৪০ পয়সা।