চলতি সপ্তাহে ভারতীয় চালের রফতানি মূল্য অপরিবর্তিত রয়েছে। স্বল্প বৃষ্টিপাতের কারণে দেশটিতে চাল উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তার ওপর রেকর্ড দরপতনের মধ্য নিয়ে যাচ্ছে ভারতীয় রুপি। ফলে চালের দাম বেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতেও মূল্যছাড়ের সুবিধা উঠিয়ে নেননি রফতানিকারকরা। ফলে বাজারদর আগের মতোই আছে। খবর রয়টার্স।

ভারত বিশ্বের শীর্ষ চাল রফতানিকারক দেশ। চলতি সপ্তাহে দেশটির ৫ শতাংশ ভাঙা সিদ্ধ চাল টনপ্রতি ৩৬১-৩৬৬ ডলারে রফতানি হয়েছে। গত সপ্তাহেও একই দামে রফতানি হয়েছিল।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে ভারতে ধান আবাদ পরিস্থিতি ভালো নয়। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে আবাদের গতি বাড়াতে হবে। তা না হলে উৎপাদনে বড় ধস দেখা দিতে পারে। অস্থিতিশীলতার দিকে যেতে পারে বাজার।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্যে জানা গেছে, চলতি মৌসুমের এখন পর্যন্ত ভারতের কৃষকরা ৭২ হেক্টর জমিতে ধান আবাদ করেছেন। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আবাদ ২৪ শতাংশ কমেছে। এর কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশটির প্রধান প্রধান আবাদি অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ আশঙ্কাজনক হারে কমেছে।

এদিকে ভিয়েতনামের ৫ শতাংশ ভাঙা চালের দাম ৪১৫-৪২০ ডলারে স্থির হয়েছে। চলতি সপ্তাহে স্থানীয় বাজারে ধানের দাম নিম্নমুখীই ছিল। কারণ নতুন মৌসুমের ধান সংগ্রহ শুরু হওয়ায় সরবরাহ বেড়েছে।

অন্যদিকে থাই চালের বাজারদরও অপরিবর্তিত রয়েছে। ৫ শতাংশ ভাঙা চালের মূল্য স্থির হয়েছে টনপ্রতি ৪২০ ডলারে। গত সপ্তাহেও এ দামে পণ্যটি রফতানি হয়েছে।