যদি জাপানি ভাষায় অনর্গল কথা চালিয়ে নিতে পারেন তবে আপনার জন্য রয়েছে সুখবর। জাপানে ঘুরতে গেলে সেখানকার স্থানীয়দের মতোই সুবিধা পাবেন বাজারে। কভিড-পরবর্তী ভোক্তা চাহিদা ও দুর্বল স্থানীয় মুদ্রার কারণে হিমশিম খাচ্ছে জাপানের অর্থনীতি। এর মধ্যে অতিরিক্ত পর্যটকের চাপ সামলাতে কিছুটা বেকায়দায় রয়েছে পূর্ব এশিয়ার দেশটি। এ কারণেই বিদেশীদের জন্য আলাদা মূল্য তালিকা নির্ধারণ করেছে জাপানের রেস্তোরাঁগুলো। অনেকে বলছেন, বিদেশীদের জন্য জাপানে খরচ বেশি রাখা হচ্ছে। তবে উদ্যোক্তারা বলছেন অন্য কথা। তাদের মতে, বরং স্থানীয়দের জন্য দাম কমানো হয়েছে। রেস্তোরাঁ মালিক শোগো ইয়োনেমিৎসু বলেন, ‘মানুষ এটাকে বৈষম্য বলছে। কিন্তু আমাদের জন্য বিদেশী পর্যটকদের অতিরিক্ত চাপ সামলানো সত্যিই মুশকিল। পর্যটকদের কাছ থেকে বাড়তি দাম নেয়া হচ্ছে না। কেবল স্থানীয়দের ১ হাজার ইয়েন (সাড়ে ৬ ডলার) ছাড় দেয়া হচ্ছে।’ সরকারি তথ্য অনুসারে, চলতি বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) জাপানে দর্শনার্থীর সংখ্যা রেকর্ড ১ কোটি ৭৭ লাখ ৮০ হাজারে পৌঁছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে জাপান দর্শনীয় স্থানগুলোয় বাড়তি খরচ আরোপের পাশাপাশি পর্যটকের সংখ্যা বেঁধে দিয়েছে। এমনকি অত্যধিক পর্যটন রোধ করতে অ্যালকোহল বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে দেশটি। প্রাকৃতিক দৃশ্য ও স্কি রিসোর্টের জন্য পরিচিত জাপানের হোক্কাইডো। চলতি মাসে স্থানীয়দের জন্য পণ্যের দাম কম রাখতে ব্যবসায়ীদের আহ্বান জানিয়েছে দেশটির পর্যটন কর্তৃপক্ষ। পশ্চিম জাপানের একজন মেয়র জানান, ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত হিমেজি ক্যাসেলে বিদেশী পর্যটকদের কাছ থেকে স্থানীয়দের তুলনায় ছয় গুণেরও বেশি প্রবেশ ফি নেয়ার কথা বিবেচনা করছেন। এ বিষয়ে চাইনিজ ইউনিভার্সিটি অব হংকংয়ের হসপিটালিটি রিসার্চ সেন্টারের সহযোগী পরিচালক এলিসা চ্যান বলেন, ‘ভিন্ন মূল্য তালিকা অতিপর্যটনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একটি কার্যকর উপায় হতে পারে।’ খবর ও ছবি সিএনএন
জাপানের পর্যটন অঞ্চলে স্থানীয়দের জন্য মূল্যছাড়
যদি জাপানি ভাষায় অনর্গল কথা চালিয়ে নিতে পারেন তবে আপনার জন্য রয়েছে সুখবর। জাপানে ঘুরতে গেলে সেখানকার স্থানীয়দের মতোই সুবিধা পাবেন বাজারে।










