কয়লা, টিনসহ বিভিন্ন খনিজ ধাতুর এক হাজারের বেশি খনির কার্যক্রম স্থগিত করেছে ইন্দোনেশিয়া। চলতি বছরের জন্য খনিগুলোর কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হওয়ায় এমন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। সম্প্রতি দেশটির খনি মন্ত্রণালয়ের মিনারেলস অ্যান্ড কোল ডিরেক্টরেট জেনারেলের ইস্যুকৃত এক নথি অনুসারে এমনটা জানা যায়। খবর মাইনিং ডটকম।

নিজেদের বিশাল সম্পদ খাতের পরিবেশ উন্নয়নে ক্রমাগত চেষ্টা করে যাচ্ছে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশটি। গত মাসে দুই হাজারের বেশি কোম্পানির অনুমোদন বাতিল করেছেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো। নিম্নমানের পরিপালননীতির কারণে এসব কোম্পানির অনুমোদন বাতিল করা হয়।

মিনারেলস অ্যান্ড কোল ডিরেক্টরেট কার্যালয়ের কর্মকর্তা সরি হেরু প্রসেতিও জানান, সাময়িক স্থগিতাদেশ দেয়ার আগে এসব কোম্পানিকে সতর্কতামূলক বার্তা পাঠানো হয়েছিল। এর পরও কোম্পানিগুলো তাদের চলতি বছরের কর্মপরিকল্পনা পেশ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

নথি অনুসারে দেখা যায়, স্থগিতাদেশের আওতায় ৮০টি কয়লা খনি, ১২টির বেশি টিন খনি ও কয়েকটি নিকেল খনি রয়েছে। এছাড়া পশ্চিম কালিমান্তানের তিনটি বক্সাইট খনির ওপরও স্থগিতাদেশ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি কিছু স্বর্ণ ও ম্যাঙ্গানিজ কোম্পানিও স্থগিতাদেশের আওতায় পড়েছে।

স্থগিতাদেশের ৬০ দিনের মধ্যে এসব কোম্পানিকে তাদের কর্মপরিকল্পনা জমা দেয়ার আদেশ দেয়া হয়েছে। এতে ব্যর্থ হলে পরবর্তী সময়ে কোম্পানিগুলোর ওপর কঠোর অবরোধ ও অনুমোদন প্রত্যাহারের মতো সিদ্ধান্তও আসতে পারে বলে জানান কর্মকর্তারা।