চলতি বছরের জুনে মালয়েশিয়ায় পাম অয়েলের মজুদ কমেছে আগের মাসের তুলনায় দশমিক ৯৭ শতাংশ। মালয়েশিয়ান পাম অয়েল বোর্ডের (এমপিওবি) মাসভিত্তিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর সিনহুয়া ও সিএনবিসি।
এমপিওবির তথ্য অনুযায়ী, গত জুনে মালয়েশিয়ায় পাম অয়েলের সমাপনী মজুদ দাঁড়িয়েছে ২৪ লাখ ২০ হাজার টন, যা আগের মাসের তুলনায় দশমিক ৯৭ শতাংশ কম। এ সময় দেশটির অপরিশোধিত পাম অয়েল (সিপিও) উৎপাদনে মন্দা ভাব দেখা গিয়েছে। জুনে মালয়েশিয়া সব মিলিয়ে ১৫ লাখ ২০ হাজার টন সিপিও উৎপাদন করেছে, যা আগের মাসের তুলনায় ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ কম।
একই সঙ্গে জুনে পণ্যটির রফতানিও কমেছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে। এ সময় মালয়েশিয়া থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে ১৩ লাখ ৮০ হাজার টন পাম অয়েল রফতানি হয়েছে, যা আগের মাসের তুলনায় ১৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ কম। মূলত এ সময় মালয়েশিয়ান পাম অয়েলের অন্যতম ভোক্তা দেশ চীনে পণ্যটির রফতানি কমে গেছে। এর প্রভাব পড়েছে সামগ্রিক রফতানির ওপর।
জুনে দেশটি থেকে মোট ১ লাখ ৭ হাজার ৬৩৪ টন পাম অয়েল আমদানি করেছে বেইজিং। মে মাসে এ আমদানির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ২৭ হাজার ১৫৫ টন। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে মালয়েশিয়া থেকে চীনের আমদানিকারকরা পণ্যটির আমদানি কমিয়েছে ১৯ হাজার ৫২১ টন। এ সময় মালয়েশিয়া থেকে চীনে পণ্যটির রফতানিতে মন্দা ভাব বজায় থাকলেও বছরের প্রথমার্ধে প্রবৃদ্ধি বজায় রয়েছে। চলতি বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) দেশটি থেকে চীনের সামগ্রিক রফতানি দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ১০ হাজার টন, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৬ দশমিক ৩২ শতাংশ বেশি।










