নীতিগত সুবিধা ও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে বহুজাতিক সংস্থার আঞ্চলিক অফিস খোলার জন্য আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে দুবাই, আবুধাবি বা শাহজার মতো শহরগুলো। এক্ষেত্রে চলতি বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) দুবাইয়ে রেকর্ড গড়েছে এশিয়ার বহুজাতিক কোম্পানিগুলো (এমএনসি)।
দুবাই ইন্টারন্যাশনাল চেম্বারের চলতি সপ্তাহে বহুজাতিক কোম্পানির নতুন অফিস সম্পর্কিত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখান থেকে জানা যাচ্ছে, জানুয়ারি-জুনে দুবাইয়ে অফিস খোলা বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর ৫৮ শতাংশ ছিল এশীয়।
এশিয়ার পর দুবাইয়ে বেশি অফিস খুলেছে ইউরোপীয় এমএনসিগুলো। করস্বর্গ হিসেবে পরিচিত এ শহরে অফিস খুলেছে এমন বহুজাতিক কোম্পানির মধ্যে ইউরোপের হিস্যা ১৬ দশমিক ১ শতাংশ। এরপর রয়েছে মধ্যপ্রাচ্য ও সোভিয়েভ ইউনিয়ন থেকে স্বাধীনতাপ্রাপ্ত দেশগুলো (সিআইএস), এখান থেকে এসেছে ১২ দশমিক ৯ শতাংশ কোম্পানি।
দুবাই ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার বলেছে, শহরটিতে অফিস খুলেছে এমন বহুজাতিক কোম্পানির ৬ দশমিক ৫ শতাংশ আফ্রিকা ও আমেরিকার প্রতিনিধিত্ব করে।
শুধু বহুজাতিক কোম্পানিই নয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকেও (এসএমই) আকর্ষণ করছে দুবাই। এ সেগমেন্টে অফিস খোলার ক্ষেত্রে বছরের প্রথমার্ধে শীর্ষে রয়েছে এশিয়া, যা মোট এসএমই খাতের ৪৯ দশমিক ১ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করে।
এরপর মধ্যপ্রাচ্য ও সিআইএস দেশগুলোর হিস্যা ২২ দশমিক ৩ শতাংশ, আফ্রিকা ১১ দশমিক ৬, ইউরোপ ৯ দশমিক ৮ ও আমেরিকা অঞ্চলের হিস্যা ৭ দশমিক ১ শতাংশ।
দুবাই চেম্বার বলছে, বিদেশী কোম্পানিগুলোর এ কার্যক্রম শীর্ষস্থানীয় বৈশ্বিক ব্যবসায়িক গন্তব্য হিসেবে শহরটি আকর্ষণীয় হয়ে ওঠার প্রমাণ। এমএনসি ও এসএমই মিলিয়ে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় জুনে শেষ হওয়া প্রথমার্ধে দুবাইয়ে বিদেশী কোম্পানিগুলোর অফিস খোলার হার বেড়েছে ১৩৮ শতাংশ।










