দিনাজপুরের হিলিতে কয়েক দিন ধরে পেঁয়াজের বাজার ঊর্ধ্বমুখী ছিল। তবে গতকাল থেকে কমতে শুরু করেছে মসলাপণ্যটির দাম। একদিনের ব্যবধানে গতকাল পাইকারিতে প্রতি কেজি দেশী পেঁয়াজের দাম কমেছে ৩০ টাকা। আর চীন থেকে আমদানীকৃত প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম পাইকারিতে কমেছে ১০ টাকা।

গতকাল সরেজমিন হিলি বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে আগের দিনের মতোই দেশীয় ও চীন থেকে আমদানীকৃত পেঁয়াজের সরবরাহ রয়েছে। এর মধ্যে পাইকারিতে প্রতি কেজি দেশীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয় ১২০ টাকা দরে, যা একদিন আগেও বিক্রি হয় ১৫০ টাকা দরে। সেই হিসাবে একদিনের ব্যবধানে পাইকারিতে প্রতি কেজি দেশী পেঁয়াজের দাম কমেছে ৩০ টাকা। অন্যদিকে চীন থেকে আমদানীকৃত পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৬০ টাকায় বিক্রি হয়, যা একদিন আগে বিক্রি হয়েছে ৭০ টাকা দরে।

হিলি বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা মনিরুল আলম বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দুদিন ধরে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিপাত হয়। ফলে ক্ষেত থেকে পেঁয়াজ না ওঠায় মোকামগুলোয় চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজের সরবরাহ কম ছিল। যে কারণে দুদিন ধরে দাম কিছুটা বাড়তি ছিল। তবে কৃষকরা এখন ভালো দাম পাওয়ায় ক্ষেত থেকে পেঁয়াজ ওঠানো শুরু করেছেন। যে কারণে বাজারে আবারো পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়েছে এবং দামও কমতে শুরু করেছে।

তবে হিলিতে দাম কমলেও বগুড়া, ঝিনাইদহসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। এর মধ্যে ঝিনাইদহে এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি পেঁয়াজে দাম বেড়েছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। গতকাল শহরের নতুন হাটখোলা, হাটগোপালপুর, ডাকবাংলো, কালীগঞ্জ, শৈলকুপা উপজেলার ভাটই বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, মুড়িকাটা জাতের পেঁয়াজ প্রতি কেজি পাইকারিতে প্রকারভেদে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা ও খুচরাতে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে।