চীনের অর্থনীতি তৃতীয় প্রান্তিকে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি বেড়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে এ তথ্য। গত মাসে গৃহস্থালি ব্যয়ও বেড়েছে। আশা করা হচ্ছে, চলতি বছরের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সমর্থ হবে দেশটি। খবর ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে। 

দেশটির জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় জুলাই-সেপ্টেম্বরে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বেড়েছে ৪ দশমিক ৯ শতাংশ। তবে রয়টার্সের জরিপে বিশ্লেষকরা পূর্বাভাস দিয়েছিলেন, জিডিপি ৪ দশমিক ৪ শতাংশ বাড়বে। 

প্রান্তিকের সঙ্গে তুলনায় চলতি বছরের তৃতীয় প্রন্তিকে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ১ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে যা দ্বিতীয় প্রান্তিকের সংশোধিত প্রবৃদ্ধির চেয়ে দশমিক ৫ শতাংশ বেশি এবং পূর্বাভাস ১ শতাংশের তুলনায় বেশি। 

সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির উন্নত হওয়ার বেশ কয়েকটি লক্ষণ প্রকাশ পেয়েছে। যার মূলে রয়েছে দেশটির একাধিক নীতিগত পদক্ষেপ। তবে দীর্ঘস্থায়ী সম্পত্তি সংকট, কর্মসংস্থান ও পারিবারিক আয়ের অনিশ্চয়তা এবং ব্যক্তিগত সংস্থাগুলোর মধ্যে দুর্বল আত্মবিশ্বাস টেকসই পুনরুদ্ধারে ঝুঁকি তৈরি করেছে।

কভিড-পরবর্তী একটি সংক্ষিপ্ত পুনরুদ্ধারের পর দ্বিতীয় প্রান্তিকে দেশটির অর্থনীতি বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। যার পেছনে রয়েছে সম্পত্তি খাতে মন্দা ও বিশাল ঋণ। 

দেশটির সরকার ২০২৩ সালের পুরো বছরে প্রায় ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।