বরিশালে ফের বাড়তে শুরু করেছে মসলাপণ্য পেঁয়াজের দাম। গতকাল নগরীতে পাইকারি পর্যায়ে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৫০ টাকায়। আর খুচরা বাজারে বিক্রি হয়েছে ১৬০ টাকা কেজিতে। কয়েক দিন আগেও যা বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকার নিচে। আড়তদাররা জানিয়েছেন, বছরের শুরুতে বৃষ্টির কারণে দাম কিছুটা বাড়লেও মৌসুম শুরু হওয়ায় খুব তাড়াতাড়ি বাজার নিয়ন্ত্রণে আসবে।
গতকাল নগরীর পাইকারি বাজারে মিয়ানমার থেকে আমদানি করা প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১১০ থেকে ১২০ টাকা এবং তুরস্ক ও পাকিস্তানের পেঁয়াজ সর্বোচ্চ ১৬০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। আর খুচরা বাজারে এসব পেঁয়াজ আরো ১০ থেকে ২০ টাকা বেশি দরে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা।
এদিকে পাইকারি ও খুচরা বাজারে দাম বাড়তে থাকায় আবারো টিসিবির পেঁয়াজ কিনতে লাইন দিচ্ছেন ক্রেতারা। গত বছরের শেষের দিকে দাম কমে আসার পর টিসিবির পেঁয়াজের ক্রেতা অনেকটাই কমে গিয়েছিল। কিন্তু গতকাল নগর ভবনের সামনে, সিঅ্যান্ডবি রোড চৌমাথা, জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বর, বটতলা মোড়সহ সাত স্থানে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে টিসিবির ট্রাক থেকে পেঁয়াজ কিনতে দেখা গেছে।
মৌসুম শুরুর পরও দামের ঊর্ধ্বগতির কারণ হিসেবে পেঁয়াজের আড়তদার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এনায়েত হোসেন বলেন, দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজে চাহিদা পূরণ হয় না। আগে ভারতীয় পেঁয়াজ দিয়ে চাহিদা পূরণ হতো। কিন্তু ভারত রফতানি বন্ধ করে দেয়ার পর দেশে পেঁয়াজের সংকট দেখা দিয়েছে; যা মিয়ানমার, তুরস্ক ও পাকিস্তান থেকে আমদানি করেও পূরণ করা যাচ্ছে না। অন্যদিকে মৌসুমের শুরুর দিকে বাজারে কিছু দেশী পেঁয়াজ এলেও সম্প্রতি বৃষ্টির কারণে সরবরাহ বিঘ্নিত হয়েছে। ফলে আবারো দাম বাড়তে শুরু করেছে।
টিসিবি বরিশালের অফিস প্রধান মো. আনিচুর রহমান জানান, প্রত্যেক ডিলারকে প্রতিদিন এক টন করে পেঁয়াজ সরবরাহ করা হচ্ছে। নতুন করে ১০০ টন পেঁয়াজ এসেছে। যতক্ষণ গুদামে পেঁয়াজ থাকবে, ততক্ষণ বাজারে সরবরাহ করা হবে।









