সপ্তাহ শেষে কোম্পানিটির সমাপনী শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ৫ টাকা ৫০ পয়সায়, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ৩ টাকা ৬০ পয়সায়। এতে কোম্পানিটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাপ্তাহিক দরবৃদ্ধির তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) বিআইএফসির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩ টাকা ৯৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ২ টাকা ৬১ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১৩০ টাকা ৪ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে বিআইএফসির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৬ টাকা ৬৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ৬৬ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১২৬ টাকা ১১ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে বিআইএফসির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫ টাকা ৬৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭ টাকা ৫৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১১৯ টাক ৪৫ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে বিআইএফসির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭ টাকা ৫৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৯ টাকা ৭৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১১৪ টাকা ৪৩ পয়সা।

২০০৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিআইএফসির অনুমোদিত মূলধন ৪০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১০০ কোটি ৬৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ১ হাজার ১৭৬ কোটি ২৯ লাখ টাকা।

কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ১০ কোটি ৬ লাখ ৭৯ হাজার ৯৪৪। এর ৩৮ দশমিক ৩৫ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪১ দশমিক ৪১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২০ দশমিক ২৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।