পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের পর্ষদ সভা আজ বিকাল ৫টা ১৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। সভায় কোম্পানিটির চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হবে। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৭ টাকা ১১ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময় যা ছিল ৩০ টাকা ৮৫ পয়সা। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৯৩ টাকা ১৪ পয়সায়, আগের বছরের একই সময় যা ছিল ৫৩ টাকা ৮৮ পয়সা।
সর্বশেষ ৩১ মার্চ সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের এরই মধ্যে দুই দফায় ৭৫০ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ম্যারিকো বাংলাদেশ। এর মধ্যে প্রথম দফায় ৪৫০ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ ও দ্বিতীয় দফায় ৩০০ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ পেয়েছেন শেয়ারহোল্ডাররা। ঘোষিত লভ্যাংশসহ আলোচ্য হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১৫০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কোম্পানিটির পর্ষদ।
নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে ম্যারিকো বাংলাদেশের ইপিএস হয়েছে ১২২ টাকা ৯৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১১২ টাকা ৮২ পয়সা। সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে ২০০ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশের বাইরে ৬০০ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১১২ টাকা ৮২ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরে ছিল ৯৮ টাকা ৬৯ পয়সা।
সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ৯০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল ম্যারিকো বাংলাদেশ। সমাপ্ত ২০১৯-২০ হিসাব বছরে মোট ৯৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল ম্যারিকো বাংলাদেশ। ওই হিসাব বছরের জন্য ২০০ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশের বাইরে ৭৫০ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা। ২০১৮-১৯ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের মোট ৬৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি। এর মধ্যে ৬০০ শতাংশ অন্তর্বর্তী ও বাকি ৫০ শতাংশ দেয়া হয় চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ।










