২০২২-২৩ বিপণন মৌসুমে (মে’ ২২-এপ্রিল’ ২৩) মোট ২৫ লাখ টন গম আমদানি করতে পারে পাকিস্তান। এর আগে এ মৌসুমে সরকারি আন্তর্জাতিক ক্রয় লক্ষ্যমাত্রা ২০ লাখ টন গম আমদানির পূর্বাভাস দিয়েছিল দেশটি। ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচারের (ইউএসডিএ) বৈদেশিক কৃষি পরিষেবা দপ্তরের বৈশ্বিক কৃষি তথ্য নেটওয়ার্কের প্রতিবেদনে এমনটা দেখা যায়।

পাকিস্তান সরকারের প্রথম দাপ্তরিক পর্যালোচনা অনুসারে ২০২২-২৩ মৌসুমে দেশটিতে গম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ২ কোটি ৬৪ লাখ টন, যা গত মৌসুমের তুলনায় ৪ শতাংশ কম। কৌশলগত মজুদ পূরণ করার লক্ষ্যে স্থানীয় বাজার থেকে প্রায় ৬৬ লাখ টন গম ক্রয় করবে পাকিস্তান সরকার, যা পূর্ববর্তী লক্ষ্যমাত্রা থেকে বেশি।

ইউএসডিএর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, জনসংখ্যা বৃদ্ধির উচ্চহার, উচ্চমূল্যস্ফীতি এবং দুধ, মাংস ও ফলমূল ক্রয়ে নাগরিকদের দুর্বল সামর্থ্য খাদ্যতালিকায় গমভিত্তিক খাদ্যপণ্যের চাহিদাকে বাড়িয়ে তুলছে। এছাড়া ভর্তুকি প্রদানের মাধ্যমে বিশ্ববাজারে প্রচলিত মূল্যের চেয়ে অনেকটা কম দামে ময়দা সরবরাহ করে এর ব্যবহারকে বাড়িয়ে তুলছে পাকিস্তান সরকার।

পাকিস্তানের খাদ্যতালিকায় ময়দাভিত্তিক খাবারের প্রথাগত ঐতিহ্য ২০২১-২২ ও ২০২২-২৩ মৌসুমে গমের ব্যবহারকে বাড়িয়ে তোলে। উল্লিখিত মৌসুমের জন্য দেশটিতে গমের সংশোধিত ব্যবহার নির্ধারণ করা হয় যথাক্রমে ২ কোটি ৮২ লাখ টন ও ২ কোটি ৯২ লাখ টন।