চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে মন্থর হয়ে পড়েছে। এজন্য রফতানি কমে যাওয়া এবং আবাসন খাতের সংকটকে দায়ী করা হয়েছে দেশটির পরিসংখ্যান ব্যুরোর এক প্রতিবেদনে। খবর এপি। 

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনীতির দেশটিতে তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৯ শতাংশ, যা দ্বিতীয় প্রান্তিকের তুলনায় কম। দ্বিতীয় প্রান্তিকের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬ দশমিক ৩ শতাংশ। তবে প্রবৃদ্ধির বিদ্যমান হার বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসের তুলনায় বেশি। দেশের অর্থনৈতিক সম্প্রসারণে বেশকিছু নীতিমালা প্রণয়ন করেছে দেশটির সরকার। এগুলোর মধ্যে রয়েছে বন্দর ও অবকাঠামো নির্মাণ ব্যয় বাড়ানো, সুদহার কমানো এবং বাড়ি কেনার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা সরিয়ে দেয়া। বৈশ্বিক পরিস্থিতি আরো জটিল ও গুরুতর হয়ে উঠছে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে দেশটির জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর কর্মকর্তারা। তারা জানিয়েছেন, মহামারীর পর চীনের গ্রাহক ও ব্যবসা কার্যক্রম প্রত্যাশার তুলনায় খুব একটা উন্নত হয়নি।

এসপিআই অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের ম্যানেজিং পার্টনার স্টিফেন ইনসে বলেন, ‘প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি থাকলেও চীনের অর্থনীতি এখনো ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে। এ প্রবৃদ্ধি চীনের অর্থনীতির জন্য সামান্য উন্নতির ইঙ্গিত দেয়। ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখার জন্য আরো কিছু নীতি বাড়ানোর দরকার। কারণ এ পুনরুদ্ধারের স্থায়িত্ব নিয়ে এখনো উদ্বেগ রয়েছে।’