বাংলাদেশ এগ্রো-প্রোসেসর অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে প্রাণ-আরএফএল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট কর্তৃক যুব সমাজকে ফ্যাক্টরি পরিবেশে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ প্রদান এবং প্রশিক্ষণ শেষে নিজস্ব ফ্যাক্টরিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির উদ্যোগের প্রশংসা করেন তিনি। পরিদর্শনকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের অধীন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন অ্যাকসেলারেটিং অ্যান্ড স্ট্রেনদেনিং স্কিলস ফর ইকোনমিক ট্রান্সফরমেশন (অ্যাসেট) প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব প্রকৌশলী মীর জাহিদ হাসান, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব ফাতেমা জাহান, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক ও যুগ্ম সচিব মো. হাসান মাহমুদ এবং অ্যাসেট প্রকল্পের উপপ্রকল্প পরিচালক রবীন্দ্রনাথ মাহাত উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্বব্যাংক দলের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র এডুকেশন স্পেশালিস্ট ও অ্যাসেট প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার তাসমিনা রহমান এবং এডুকেশন স্পেশালিস্ট ফারজানা শামস ও জুলফিকার রহমান। এছাড়া বাংলাদেশ এগ্রো-প্রোসেসর অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি কেএমএ সালাম, প্রাণ-এমএএল এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সাইফুল ইসলাম, ফ্যাক্টরি প্রধান জাকিরুল ইসলাম এবং ট্রেনিং কো-অর্ডিনেটর ইমাম হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনের সময় জ্যঁ পেম অ্যাসেট প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রশিক্ষণার্থী এবং ওই ফ্যাক্টরিতে কর্মরত প্রাক্তন প্রশিক্ষণার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি প্রশিক্ষণের মান, ভাতা প্রাপ্তির প্রভাব ও কর্মসংস্থানের হার সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং এ বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
এন্টারপ্রাইজ-বেজড ট্রেনিং দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উদ্যোক্তা তৈরিতে কার্যকর পদ্ধতি উল্লেখ করে অ্যাসেট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মীর জাহিদ হাসান বলেন, ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের এ সময়ে এ ধরনের প্রশিক্ষণ যত বেশি দেয়া যায়, ততই দেশের জন্য মঙ্গলজনক।’ এ সময় কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব ফাতেমা জাহান এন্টারপ্রাইজ-বেজড ট্রেনিং কার্যক্রমের সংখ্যা ও মেয়াদ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।










