দুবাই বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতবর্ধনশীল অর্থনীতির একটি। চ্যালেঞ্জের মধ্যেও দেশটি বিশ্বব্যাপী অর্থ, বাণিজ্য এবং উন্নত উৎপাদন কেন্দ্রে পরিণত হতে যাচ্ছে। দুবাইয়ের সিনিয়র সরকারি কর্মকর্তাদের সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। খবর দ্য ন্যাশনাল নিউজ।

দুবাই চেম্বার্সের চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ আল ঘুরাইর সাইদ বলেন, ‘সংযুক্ত আরব ‌আমিরাত বিশ্বমানের বন্দর এবং পরিবহন সুবিধাসহ তার অবকাঠামোয় প্রচুর বিনিয়োগ করেছে। ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার সংযোগস্থলে এর অবস্থান। এটা বিশ্বব্যাপী ব্যবসা সম্প্রসারণে উপযুক্ত।’

আল ঘুরাইর দুবাই বিজনেস ফোরামের প্রতিনিধিদের বলেন, ‘‌বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও দুবাই এখনো বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতবর্ধনশীল অর্থনীতি।’ আমাদের অতুলনীয় কানেক্টিভিটি দুবাইকে বাণিজ্য ও লজিস্টিকসের জন্য বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কেন্দ্রগুলোর একটিতে রূপান্তর করবে। দুবাই একই সঙ্গে বিশ্বের দ্রুতবর্ধনশীল আর্থিক কেন্দ্রগুলোর মধ্যে একটি এবং বিনিয়োগকারীদের একটি আকর্ষণীয় স্থান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। শুধু আমিরাতের গ্রিনফিল্ড প্রকল্প এ বছরের প্রথম ছয় মাসে ৫৭০ কোটি ডলার বিদেশী বিনিয়োগ পেয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘পরবর্তী দশকে এ বিনিয়োগ এবং বহির্বিশ্বের সঙ্গে লেনদেন ৮ দশমিক ৭ ট্রিলিয়নে নেয়ার উচ্চাভিলাষ রয়েছে।’

দুবাইয়ের অর্থনীতি ও পর্যটন বিভাগের মহাপরিচালক হেলাল আল মারি বলেন, ‘‌বিশ্বব্যাপী প্রবণতা বোঝার জন্য প্রথমে লক্ষ্য করতে হবে দুবাইয়ে কী ঘটছে। আমরা অনেক শিল্প খাতে দুর্দান্ত গতি দেখেছি। নতুন নতুন শিল্প, প্রযুক্তি, উচ্চ প্রযুক্তির খাত এবং ডিজিটালাইজেশন দেখেছি। উদ্যোক্তা ও সরকারি উদ্যোগের উল্লম্ফন দেখেছি। অনেক বড় বহুজাতিক কোম্পানি এখানে প্রযুক্তির ভিত্তি স্থাপন করেছে। যা-ই হোক, দুবাই ভারী শিল্পের উৎপাদন বিকাশ করতে চায় না। এটা পরিবেশ নোংরা ও যথেষ্ট জ্বালানি খরচ করে। দুবাই স্মার্ট ম্যানুফ্যাকচারিংয়ে বেশি আগ্রহী, যা রোবোটিকসের ওপর নির্ভরশীল ও স্বয়ংক্রিয়।’

আগস্টে প্রকাশিত সরকারি তথ্যানুসারে, শক্তিশালী বাণিজ্য ও পর্যটনের মাধ্যমে দুবাইয়ের অর্থনীতি বিকশিত হয়েছে। প্রথম প্রান্তিকে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২ দশমিক ৮ শতাংশ (৩ হাজার ৩০ কোটি ডলার)।