বিশ্বের চলমান অর্থনৈতিক সংকটের প্রভাবে দেশের প্রধানতম রপ্তানিখাত নীট শিল্পখাতে এর ঋণাত্মক প্রবাহ পড়ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)। রপ্তানিখাত নীট শিল্পের ক্রান্তিলগ্ন এ সময়ে মধ্যেও ন্যূনতম মজুরি কাঠামো ঘোষণা করেছে সরকার। কষ্টকর হলে এ মজুরি কাঠামো বাস্তবায়ন করবে তারা। একই সঙ্গে কিন্তু কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী বা মহল এ শিল্পটিকে ধ্বংস করার জন্য নানা ধরনের ষড়যন্ত্রের ছক আঁকছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতি এসব তথ্য জানায় সংগঠনটি। বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তার স্বার্থে সামনের দিনগুলোতে বিকেএমইএ কয়েকটি নির্দেশনা দিয়েছে। 

বিকেএমইএ দাবি করছে, কিন্তু কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী বা মহল এ শিল্পটিকে ধ্বংস করার জন্য নানা ধরনের ষড়যন্ত্রের ছক আঁকছে। তবে মনে রাখতে হবে যে, দেশের অর্থনীতির এবং শ্রমিকদের স্বার্থে এ শিল্পকে আমাদের টিকিয়ে রাখতে হবে। এজন্য প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা ও কৌশলমাফিক নীতি প্রণয়ন।

সংগঠনটি বলছে, শ্রমিকরাই এ শিল্পের প্রাণ। তাই শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষণ করেই এই শিল্পকে এগিয়ে নিতে হবে। কিন্তু একইভাবে মালিকপক্ষের দিকটিও বিবেচনা করে কারখানায় কোনো অবস্থাতেই বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি না হয়, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।  জরুরি প্রয়োজন না হলে কারখানায় শ্রমিক নিয়োগ বন্ধ ও গেইটে এ নোটিশটি লাগানোর ব্যবস্থা করতে হবে। বিকেএমইএ'র লিখিত অনুমোদন ব্যতীত তৃতীয় কোনো ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের নিকট কারখানার তথ্য/উপাত্ত দেয়া যাবে না। 

কারখানার ওয়ার্কার ডাটাবেইজ আবশ্যিকভাবে হালনাগাদ করতে হবে। কারণ, শ্রমিকদের যেকোনো ধরনের সুযোগ-সুবিধা প্রদান বা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে নিয়োগ সংক্রান্ত তথ্যাদি অত্যাবশ্যকীয়।কারখানার সকল ধরনের নিরাপত্তার স্বার্থে প্রশাসনিক তদারকি বাড়াতে হবে এবং একইসাথে সিসি ক্যামেরার ফুটেজগুলোর উপর সার্বক্ষণিক নজর রাখুন, যাতে করে যেকোনো ধরনের আশঙ্কার আভাস  পাওয়া মাত্রই সময়োপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। তাই সিসি টিভির ফুটেজ নিরাপদে সংরক্ষণে রাখতে হবে।