উত্তর সাগরে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের অনুসন্ধান ও উত্তোলন কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে গুটিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডেনমার্ক। এজন্য ২০৫০ সাল পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করেছে দেশটি। এর মধ্যে চলমান কার্যক্রমগুলো বন্ধ করে দেয়া হবে। নতুন করে কোনো অনুসন্ধান ও উত্তোলন কার্যক্রমের লাইসেন্স দেয়া হবে না। মূলত পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের লাগাম টানার বিষয়ে প্রাধান্য দিতে গিয়ে অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক এসব জ্বালানি প্রকল্প থেকে সরে আসছে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান এ দেশটি। খবর রয়টার্স ও সিনহুয়া।
পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের লাগাম টানতে গত বছর উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে ডেনমার্ক সরকার। এতে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ বর্তমানের তুলনায় ৭০ শতাংশ কমিয়ে আনা হবে। একই সঙ্গে ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের বুকে শূন্য কার্বনের দেশ হতে চায় ডেনমার্ক।
এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে অন্যতম বাধা ছিল উত্তর সাগরে জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলন প্রকল্পগুলো। কেননা এসব প্রকল্পের বিরুদ্ধে পরিবেশ দূষণের বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি ডেনমার্কের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়। রাজনৈতিক বিরোধের মধ্যেই দেশটির পার্লামেন্ট ২০৫০ সালের মধ্যে উত্তর সাগরে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলন পর্যায়ক্রমে গুটিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এ বিষয়ে দেশটির জলবায়ুমন্ত্রী ড্যান জোগেনসেন বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানির যুগ থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসতে এটা গুরুত্বপূর্ণ একটি অর্জন।










