২০৩০ সালের মধ্যে ৮০ শতাংশ বৈদ্যুতিক গাড়ি বিক্রির লক্ষ্য নিয়েছে পোরশে। ধীরে ধীরে বৈদ্যুতিক গাড়িতে স্থানান্তরে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে তাদের ক্ল্যাসিক পোরশে ৯১১ গাড়িটিকে দহন ইঞ্জিন মডেল হিসেবে টিকিয়ে রাখা হবে। কোম্পানিটি ই-ফুয়েলে বিনিয়োগ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে ২০৩৫ পরবর্তী ই-ফুয়েল বিক্রির পক্ষে গাড়ি নির্মাতার সমর্থন ও মনোযোগ আকর্ষণে কাজ করে যাচ্ছে। পোরশে ম্যাকান ৭১৮ মডেল ও কেয়েনের মতো মডেলগুলো বিদ্যুতায়িত করবে। তবে পোরশে ৯১১ মডেল বিক্রির ১৩ শতাংশ দহন ইঞ্জিনে থাকবে। পোরশে স্পষ্ট করেছে ইভি নির্মাণের পরিকল্পনা ও ই-জ্বালানি বিনিয়োগ পৃথক থাকবে। ই-ফুয়েল কারো কারো কাছে কার্বন নিরপেক্ষ হিসেবে বিবেচিত। এটি প্রধানত উড়োজাহাজ ও ভারী যানবাহনের জন্য উপযোগী, কারণ আগামীতে যাত্রীবাহী গাড়িগুলো মূলত বৈদ্যুতিক হবে। ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে
বিদ্যুচ্চালিত গাড়ির যুগেও টিকে থাকবে পোরশে ৯১১
২০৩০ সালের মধ্যে ৮০ শতাংশ বৈদ্যুতিক গাড়ি বিক্রির লক্ষ্য নিয়েছে পোরশে। ধীরে ধীরে বৈদ্যুতিক গাড়িতে স্থানান্তরে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে তাদের ক্ল্যাসিক পোরশে ৯১১ গাড়িটিকে দহন ইঞ্জিন মডেল










