চীনা প্রপার্টি ডেভেলপারদের শেয়ার ও বন্ডগুলো গত সপ্তাহে পতনের পর কিছুটা বেড়েছে। নীতিনির্ধারকরা যখন সংকটাপন্ন খাতটির জন্য আর্থিক সহায়তা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তখন এখানে বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা গেছে। হংকংয়ের হ্যাং সেং মেইনল্যান্ড প্রপার্টিজ ইনডেক্স ১২ শতাংশ বেড়েছে, পাশাপাশি সিএসআই ৩০০ রিয়েল এস্টেট বেঞ্চমার্ক ৭ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। খবর রয়টার্স।

চলতি সপ্তাহে পতনের পরে হংকংয়ে তালিকাভুক্ত প্রপার্টি জায়ান্ট কান্ট্রি গার্ডেন ও তার ম্যানেজমেন্ট ইউনিট কান্ট্রি গার্ডেন সার্ভিস যথাক্রমে ১৫ ও ২২ শতাংশ পুনরুদ্ধার করেছে। চীনের শীর্ষ নেতারা কভিড-১৯-পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের অংশ হিসেবে অভ্যন্তরীণ চাহিদার দিকে মনোনিবেশ করেছে। মূলত এর মাধ্যমে অর্থনীতির জন্য নীতিনির্ধারণী সহায়তা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে।

চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থা পলিটব্যুরো বলছে, তারা বাজারের চাহিদা ও সরবরাহ পরিবর্তনের সঙ্গে আবাসন খাতের নীতিমালাগুলোয় মানিয়ে নেয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে। পলিটব্যুরো আবাসন খাতে বিধিনিষেধ শিথিল করার দিকে তাদের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে ধারণা করছে বিনিয়োগকারীরা। সুনাক চায়না ও লংফোর গ্রুপের মতো বড় মাপের ডেভেলপারদের শেয়ারও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এ খাতের বিশ্লেষকরা মনে করেন, নীতির সহজীকরণ সীমিত হতে পারে এবং তা শহর থেকে শহরে ভিন্ন হতে পারে। আশা করা হচ্ছে, কেন্দ্রীয় সরকার আরো যুক্তিসঙ্গত প্যাকেজ চালু করবে। তার সঙ্গে সরকার সম্ভবত দ্বিতীয় স্তরের সহজীকরণের অংশ হিসেবে শহরগুলোয় দ্বিতীয় বাড়ি কেনায় বিধিনিষেধ শিথিল করবে। এদিকে বিনিয়োগকারীরা আবাসন খাতের ঋণ সংকট নিয়ে চিন্তিত। সিনো-ওশান গ্রুপ ও গ্রিনল্যান্ড হোল্ডিংসের মতো রাষ্ট্র সমর্থিত ডেভেলপারদের পাশাপাশি প্রপার্টি জায়ান্ট কান্ট্রি গার্ডেন ও দালিয়ান ওয়ান্ডা গ্রুপের মধ্যেও এ সমস্যার লক্ষণ দেখা দিয়েছে।