বিধ্বস্ত ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে শোধিত তেজস্ক্রিয়
পানি সমুদ্রে ছাড়ার প্রেক্ষাপটে জাপানি সামুদ্রিক খাবার আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে
চীন। আর সেই সুবিধা নিতে তৎপর হয়ে উঠেছে রাশিয়া। মস্কো আশা করছে, বেইজিং তাদের কাছ
থেকে আমদানি বাড়াবে। খবর ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে।
চীনে অন্যতম বৃহত্তম সামুদ্রিক পণ্য সরবরাহকারী দেশ রাশিয়া। গত জুলাইয়ে
রুশ খাদ্য নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা রোসেলখোজনাদজোর জানায়, চীনে সামুদ্রিক খাবার
রফতানির অনুমতি পাওয়া ৮৯৪টি কোম্পানি রয়েছে রাশিয়ায়।
গতকাল শুক্রবার (২৫ আগস্ট) এক বিবৃতিতে রোসেলখোজনাদজোর জানায়, তারা
রফতানিকারকদের সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করছে।
সেখানে বলা হয়, অনুমোদনপ্রাপ্ত রুশ কোম্পানি, জাহাজ, পণ্যের পরিমাণ
ও পরিসর বাড়ানোর আশা করা হচ্ছে। সেই প্রচেষ্টাকে সহজ করতে সামুদ্রিক খাদ্য নিরাপত্তা
সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে নিতে আগ্রহী তারা। পাশাপাশি রুশ সামুদ্রিক পণ্য সরবরাহের
বিধিবিধানের বিষয়ে সিদ্ধান্তে আসতে চায়।
পরিসংখ্যান উল্লেখ না করে দেয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জানুয়ারি থেকে
আগস্টের মধ্যে রুশ সামুদ্রিক পণ্য রফতানির অর্ধেকেরও বেশির গন্তব্য ছিল চীন। এর মধ্যে
পলক, হেরিং, ফ্লাউন্ডার, সার্ডিন, কড ও কাঁকড়ার আধিপত্য রয়েছে।
রাশিয়া গত বছর প্রায় ৬১০ কোটি ডলার মূল্যের ২৩ লাখ টন সামুদ্রিক
পণ্য রফতানি করেছে। যা মোট আহরিত পণ্যের প্রায় অর্ধেক। রাশিয়ার সবচেয়ে বড় ক্রেতা
হলো চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান।
এদিকে তেজস্ক্রিয়তার অভিযোগ সম্পর্কে জাপান বলেছে, রাশিয়া ও চীনের সমালোচনা বৈজ্ঞানিকভাবে সমর্থিত নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুযায়ী, পানির মান ঠিক আছে।










