২০২২ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে ফিলিপাইনের অর্থনীতি প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত প্রবৃদ্ধি করেছে। গতকাল প্রকাশিত সরকারি তথ্যে দেখা গেছে, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে, যা গত প্রান্তিকের ৪ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধির চেয়ে বেশি। এটি অর্থনীতিবিদদের দেয়া ৪ দশমিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাসকেও ছাড়িয়ে গেছে। খবর ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে।
এ প্রবৃদ্ধি তৈরিতে মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি। তবে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও একাধিক সুদহার বৃদ্ধির ফলে পরিবারের ব্যয়ের ওপর প্রভাব পড়েছে। গৃহস্থালি ব্যয়, যা অর্থনীতির প্রায় ৭০ শতাংশেরও বেশি, সেটা টানা দ্বিতীয় প্রান্তিকে ৫ শতাংশে কমেছে।
অর্থনৈতিক পরিকল্পনামন্ত্রী আর্সেনিও বালিসাকান জানান, মূল্যস্ফীতি এখনো একটি বড় প্রতিবন্ধকতা। অক্টোবরের মূল্যস্ফীতির হার ৪ দশমিক ৯ শতাংশ, যা এখনো ২-৪ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রার ওপরে অবস্থান করছে।
গত মাসে ধান ও শাকসবজির মতো বড় ফলন খাদ্য খরচ কমাতে সহায়তা করেছে। তবে বালিসাকান আশা করেছিলেন, মূল্যস্ফীতির চাপ কমার কারণে চতুর্থ প্রান্তিকে ভোক্তাদের ব্যয় বাড়বে। গত তিন প্রান্তিকে ধীরগতির প্রবৃদ্ধির পর তৃতীয় প্রান্তিকে দ্রুত প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। বালিসাকান আরো জানান, সরকারের বার্ষিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৬-৭ শতাংশ এখনো অর্জন করা সম্ভব। তৃতীয় প্রান্তিকে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি দেখা গেলেও অর্থনীতিবিদ গ্যারেথ লেদার সতর্ক করে দিয়ে জানিয়েছেন, এটি স্থায়ী নাও হতে পারে। তার মতে, উচ্চ সুদহার এবং দুর্বল বৈশ্বিক চাহিদা আগামী বছর ফিলিপাইনের অর্থনীতিকে ধীর করে দিতে পারে।










