বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) নিউজিল্যান্ডের অর্থনীতিতে অপ্রত্যাশিত সংকোচন দেখা গিয়েছে। কারণ হিসেবে রফতানিতে মন্দা ও অভ্যন্তরীণ ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করা হচ্ছে। যদিও বিশ্লেষকরা বলছেন, যেহেতু নভেল করোনাভাইরাসজনিত মহামারীর পর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ছে, ফলে মন্দা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে। খবর রয়টার্স।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, উৎপাদনভিত্তিক খাতে শূন্য দশমিক ২ শতাংশ পতন হয়েছে, যা অর্থনীতিবিদদের প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম। সরকারি তথ্য বলছে, প্রাথমিক ধাপের খাত যেমন কৃষি, বনায়ন ও মৎস্য খাতে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে পণ্য উৎপাদন শিল্পগুলোতেও কিছুটা পতন দেখা গেছে। গত বছরের এ প্রান্তিকের তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে রফতানি পণ্য ও পরিষেবা খাতে ১৪ দশমিক ৩ শতাংশ পতন হয়েছে।
চলতি বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে দেশজুড়ে কভিডের সংক্রমণ বেড়ে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় নিউজিল্যান্ডের অর্থনীতি। তবে এর পরেও পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছে, অভ্যন্তরীণ চাহিদা এখনো বেশ শক্তিশালী।
এক বিবৃতিতে এএসবি ব্যাংকের অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, প্রতি ত্রৈমাসিকে পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে এমনটা ভেবে নেয়া ঠিক নয়। চলতি বছর প্রবৃদ্ধি কিছুটা ধীরগতির হবে। বাড়তি সুদের হার, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, নির্মাণ খাতে ধীরগতি, কৃষি খাতে উৎপাদন কমে যাওয়া এবং বিভিন্ন কারণে এক্ষেত্রে বড় প্রভাব ফেলবে।
গত অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত পাঁচ দফায় সুদের হার বাড়িয়েছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগামী বছর পর্যন্ত এ রকম নানা ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার কথাও জানিয়েছে তারা।










