ইলেকট্রনিক
ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপ করছেন, ফুড প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপ করছেন সেখানেও প্লাস্টিক
লাগবে। হেলথকেয়ারে প্লাস্টিক লাগে। সব কিছুতেই প্লাস্টিক লাগে। আমাদের একটা ধারণা প্লাস্টিক
বলতে শুধু জগ মগ ঘটি বাটি। কিন্তু এই সেক্টরটা জগ, মগ, ঘটি-বাটি থেকে অনেক দূর এগিয়ে
গেছে। সেটা আমাদের জানা নেই।
বুধবার
(১৩ ডিসেম্বর) এসব কথা বলেছেন বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক
অ্যাসোসিয়েশন(বিপিজিএমইএ) সভাপতি সামিম আহমেদ।
বুধবার
বিপিজিএমইএ’র
উদ্যোগে সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত কর্মশালা ফ্যাক্টরি অডিট অন হ্যাজার্ড আইডেনটিফিকেশন,
রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড কনট্রোল শীর্ষক কর্মশালায় বক্তব্য দেন সামিম আহমেদ। এ সময়
উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ, অতিরিক্ত সচিব আব্দুর
রহিম খান প্রমুখ।
সামিম
আহমেদ বলেন, প্লাস্টিক সেক্টরের ২৮টি সাব সেক্টর আছে। এর মধ্যে ৪টা সাব সেক্টরকে বাণিজ্য
মন্ত্রণালয় সম্ভাবনাময় বলে চিহ্নিত করেছে। একটা হলো টয়েজ বা খেলনা। একটা হলো হাউজহোল্ড
প্রডাক্ট। ব্যাগস অ্যান্ড স্যাক্স। আরেকটা হলো গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ। গার্মেন্টস
অ্যাকসেসরিজে আমরা বেশ ভালো করছি। এ পণ্যটি ৯০ কোটি ডলারের কাছাকাছি আমরা রফতানি করি।
আর মোট রফতানি হচ্ছে ১.২ মিলিয়ন ডলারের। আমাদের রফতানি প্রবৃদ্ধিও ভালো। ইপিবি যে এক্সপোর্ট
ফিগারটা দেয় সেটা দেয় শুধু ডাইরেক্ট এক্সপোর্টের। কিন্তু ৯০০ মিলিয়ন ডলার যেটা আমরা
এক্সপোর্ট করি থ্রু গার্মেন্টস এবং অন্যান্য। সেটা কিন্তু আসে না। ফুড প্যাকেজিংয়ে
প্রচুর পরিমাণে প্লাস্টিক কনজিউম হয়, যেটা এক্সপোর্ট হয়। এরকম অনেক সেক্টর.... প্লাস্টিক
সেক্টর হলো মাদার ইন্ডাস্ট্রির মতো।
ইলেকট্রনিক ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপ করছেন, ফুড প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপ করছেন সেখানেও প্লাস্টিক লাগবে। হেলথকেয়ারে প্লাস্টিক লাগে উল্লেখ করে সামিম আহমেদ বলেন, সব কিছুতেই প্লাস্টিক লাগে। আমাদের একটা ধারণা প্লাস্টিক বলতে শুধু জগ মগ ঘটি বাটি। কিন্তু এই সেক্টরটা জগ মগ ঘটি বাটি থেকে অনেক দূর এগিয়ে গেছে। সেটা আমাদের জানা নেই। আমরা ফ্লেকজিবল প্যাকেজিংয়ের ইন্ডাস্ট্রি আছে। প্রতিটি ইন্ডাস্ট্রিতে ন্যূনতম বিনিয়োগ ২০০ কোটি থেকে ৫০০ কোটি টাকা পর্যন্ত। মানও খুব ভালো। এক্সপোর্ট মার্কেটও আমরা পেনিট্রেট করতে পারবো ফ্লেকজিবল প্যাকেজিংয়ের। আমরা করছিও। আমাদের বেশ কিছু ফ্লেক্সিবল প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রি আছে যারা বাল্ক প্যাকেজিং করে। তারা কিন্তু জাপানসহ অনেক দেশে এক্সপোর্ট করে। কাজেই সম্ভাবনা সেখানে আছে। আমরা এখন ঘটি বাটিতে নাই। আমরা অনেক দূর এগিয়ে গেছি। ভবিষ্যতে আমাদের আরও এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।









