উৎপাদন ব্যয় বাড়ায় জাপানে মূল্যস্ফীতি দেখা দিয়েছে। উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির কারণ হিসেবে শ্রম বা কাঁচামালের সংকট এবং এর পেছনে ব্যয় বেড়ে যাওয়াকে ইঙ্গিত করছে। তবে শ্রমিকদের উচ্চ মজুরির কারণে মূল্যস্ফীতি খুব নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারেনি। সম্প্রতি জাপানের অর্থনীতিবিদরা এসব কথা বলেন। খবর রয়টার্স।
অর্থনীতিবিদরা স্বীকার করেছেন, বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি জাপানের অর্থনীতিকে প্রভাবিত করেছে। ২০২২ সালের বসন্ত থেকে ভোগ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি ব্যাংক অব জাপানের (বিওজে) ২ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এ মূল্যস্ফীতি মূলত ব্যয়-পুশ ফ্যাক্টর এবং ব্যয়বহুল আমদানির কারণে হয়েছে। ব্যয়-পুশ ফ্যাক্টরগুলো এমন পরিস্থিতিকে বোঝায়, যেখানে চাহিদা বৃদ্ধির পরিবর্তে উৎপাদন বা ইনপুট খরচ বৃদ্ধির কারণে দাম বাড়ে।
এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মতো মজুরি ও জ্বালানি তেলের চাহিদার কারণে তৈরি হয়নি।
বিওজের বোর্ড সদস্য আসাহি নোগুচি জানান, এটাকে স্থায়ী মূল্য বৃদ্ধি বলা যাবে না। চলতি বছর বসন্তকালীন মজুরি আলোচনা ৩০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে। লক্ষ্যে পৌঁছতে এখনো আরো অনেক পথ বাকি।
বাজারে প্রত্যাশা বাড়ছে। বিওজে মুদ্রানীতি কঠোর করতে পারে। কারণ মূল্যস্ফীতি ২ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। তবে বিওজের কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলেছেন, তারা ২ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা টেকসই না হওয়া পর্যন্ত সহজ মুদ্রানীতি মেনে চলবেন।










