প্রকৌশল খাতের কোম্পানি ইফাদ অটোস পিএলসির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এর পরিবর্তে এজিএম ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্যানুসারে, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে শুধু সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। এজিএমে লভ্যাংশসহ অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নেয়া হবে। আলোচ্য হিসাব বছরে ইফাদ অটোসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ৯৩ পয়সায়।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ইফাদ অটোসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ২১ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ৬৬ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। এর মধ্যে ১ শতাংশ নগদ ও ১ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৬২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫৮ পয়সা।

৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৬ টাকা ২৯ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ইফাদ অটোসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৫৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএনভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৭ টাকা ৯১ পয়সায়।

ইফাদ অটোসের সর্বশেষ সার্ভিল্যান্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ৩’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি-২’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ অক্টোবর ২০২৪ পর্যন্ত ব্যাংক ঋণের অবস্থা এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।

২০১৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইফাদ অটোসের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২৬৮ কোটি ২৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫৯৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার ২৬ কোটি ৮২ লাখ ৫৩ হাজার ৯১১টি। এর ৫৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৬ দশমিক ৩২, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক শূন্য ২ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ১৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ রয়েছে।