এইচএসবিসির জন্য সফল ও লাভজনক বছর ছিল ২০২২ সাল। বছরের শেষ তিন মাসে ৫২০ কোটি ডলার লাভ করেছে লন্ডনভিত্তিক ব্যাংকটি। আগের বছরের শেষ প্রান্তিকের তুলনায় যা ৯০ শতাংশ বেশি। ফলে বার্ষিক লাভ সামগ্রিকভাবে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৫০ কোটি ডলারে। ব্যাংকটির প্রধান নির্বাহী নোয়েল কুইন জানিয়েছেন, ২০২২ সাল এইচএসবিসির জন্য দারুণ একটি বছর ছিল। ২০২৩ সালে আমরা আরো বেশি সফল হব। খবর বিবিসি।

এশিয়ায় ব্যবসা সম্প্রসারণ নিয়ে কাজ করছে এইচএসবিসি ব্যাংক। তার জন্য ২০২১ সালের জুন মাসে প্রতিষ্ঠানটি ফ্রান্সে অবস্থিত রিটেইল পরিষেবা বিক্রি করে দেয়। কানাডা থেকে সরে আসার জন্যও চলছে প্রস্তুতি। রয়েল ব্যাংক অব কানাডার সঙ্গে বিক্রির ব্যাপারে চুক্তি করেছে ব্যাংকটি। ১ হাজার ৩৫০ কোটি কানাডিয়ান ডলার বা ১ হাজার কোটি মার্কিন ডলারে এ বছরের মধ্যেই সম্পন্ন হবে প্রক্রিয়া। মূলত এইচএসবিসি ব্যাংক তাদের ব্যবসা বিক্রি করে দিচ্ছে চাপের কারণে। প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে সবচেয়ে বড় শেয়ারহোল্ডার চীনা ইন্স্যুরেন্স ফিং এন। গত বছর প্রকাশ্যেই ফিন এন জানিয়েছিল, এইচএসবিসি থেকে লাভ তুলতে তারা ব্যাংকটির এশিয়ার ব্যবসাকে আলাদা করতে চান। 

নভেম্বরে যুক্তরাজ্যে ১১৪টি শাখা বন্ধ করার পরিকল্পনা জানায় এইচএসবিসি। মহামারীর মধ্যে গ্রাহকদের ব্যাংকমুখিতা কমে যায়। মহামারী শেষ হলেও প্রত্যাশিত সাড়া পাওয়া যায়নি। ব্যাংক থেকে জানিয়ে দেয়া হয়েছিল, তাদের শাখাগুলো বন্ধ করে দেয়া হলে ক্ষতিগ্রস্ত চাকরিজীবীদের ব্যাপারে চিন্তা করা হবে। যথাযথ চাকরি খুঁজে দেয়ার চেষ্টা করা হবে। সে সময় কমপক্ষে ১০০ জন কর্মী ছাঁটাইয়ের কথা জানানো হয়।