বৈশ্বিক মন্দাবস্থার মধ্যেও বেড়েছে ভারতীয় খেলনার রফতানি বাজার। ২০২২ সালের এপ্রিল-ডিসেম্বর মেয়াদে দেশটিতে উৎপাদিত খেলনা রফতানি ১ হাজার ১৭ কোটি রুপিতে পৌঁছেছে। ফলে ২০২১-২২ অর্থবছরে রফতানি দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬০১ কোটি রুপিতে। বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীয়ূশ গয়াল টুইটারে এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
২০২২ সালের এপ্রিল-ডিসেম্বরে খেলনা রফতানি ২০১৩ সালের ওই সময়ের তুলনায় ছয় গুণ। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে এপ্রিল-ডিসেম্বর রফতানি ছিল ১৬৭ কোটি রুপি। এর মধ্যে দেশটির খেলনা উৎপাদন ও রফতানি বৃদ্ধিতে আরো পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। কমিয়ে আনতে চাচ্ছে চীনের মতো বাইরের দেশ থেকে আমদানির পরিমাণ। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশটি ২ হাজার ৯৬০ কোটি রুপির খেলনা আমদানি করেছে। আদিবাসীদের বানানো খেলনার প্রসার নিয়ে গ্রহণ করেছে ‘ দেশজ স্বর’ নামে উদ্যোগ। পদক্ষেপ নিয়েছে দেশের সংস্কৃতি ও ইতিহাসের প্রসারে।
২০২১-২২ অর্থবছরে আমদানির পরিমাণ ৭০ শতাংশ কমিয়ে ৮৭০ কোটি রুপিতে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে দেশটি। এর আগে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে খেলনার ওপর আমদানি শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে ৬০ শতাংশে উত্তীর্ণ করা হয়েছে। এ বছর তা আরো বাড়িয়ে ৭০ শতাংশে নেয়া হয়েছে, যেন মানুষ ক্রমে আমদানিতে অনুৎসাহিত হয়। একই সঙ্গে ২০২০ সালেই খেলনার মাননিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ জারি করেছে। নতুন অধ্যাদেশ অনুসারে, খেলনাকে অবশ্যই মানে উত্তীর্ণ হতে হবে। এটা দেশী ও বিদেশী উভয় ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।










